চট্টগ্রাম মহানগরে বসবে আটটি পশুর হাট, ৩৬৭ স্থানে জবাই

Ctg korbanir hut
ad

নিজস্ব প্রতিনিধি: ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে কোরবানির পশুর হাট ইজারা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)।

করপোরেশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গতবারের মতো এবারও চট্টগ্রাম মহানগরীতে স্থায়ী দুটি পশুর হাটের পাশাপাশি অস্থায়ী ছয়টি হাটে পশু বেচাকেনা হবে। তবে এরমধ্যে কমল মহাজন হাট ও সল্ট গোলা রেলক্রসিংয়ে পশুর হাট বসা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

নগরীর সাগরিকা ও বিবির হাট স্থায়ী পশুর হাট ছাড়াও কর্ণফুলী পশু বাজার, স্টিল মিল পশুবাজার, পতেঙ্গা সিটি করপোরেশন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ (কাটগড়) বাজার, পোস্তারপাড় স্কুল মাঠে পশুর বাজার বসছে এবার।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে চসিকের এস্টেট শাখার সহকারী এস্টেট অফিসার এখলাস উদ্দিন আহমেদ বলেন, ছয়টি অস্থায়ী হাটের মধ্যে দুটি হাটের দ্বিতীয় দফা দরপত্র আহ্বান করেও কোনো ইজারাদার পাওয়া যায়নি। ফলে এ পশুর হাট দুটি নিয়ে একটু জটিলতা থেকে গেছে। এ ব্যাপারে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

তিনি বলেন, এবার কোন অবস্থাতেই রাস্তায় পশুর হাট বসাতে দেয়া হবে না। যত্রতত্র পশু জবাইও করতে পারবেন না নগরবাসী। চসিক নির্ধারিত প্রায় ৩৬৭টি স্থানে পশু জবাই করতে হবে তাদের।

চসিক সূত্র জানায়, কোরবানির পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায়ও নেয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। ঈদের দিনেই বর্জ্য অপসারণ শেষ করতে এবার করপোরেশনের নিয়মিত ২ হাজার কর্মচারীর পাশাপাশি আরও প্রায় ২ হাজার শ্রমিক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে।

চসিকের রাজস্ব বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সল্টগোলা রেলক্রসিং পশুর হাটের জন্য তিনটি দরপত্র জমা হলেও তাতে কাঙ্খিত দর পায়নি চসিকের রাজস্ব বিভাগ। এই হাটের জন্য সর্বোচ্চ দর উঠেছে ২২ লাখ ২০ হাজার টাকা। কিন্তু রাজস্ব বিভাগের কাঙ্খিত দর ছিল ৪০ লাখ ৩ হাজার ১৭৬ টাকা। অথচ গত বছর এ পশুর হাটের ইজারা দেয়া হয়েছিল ৪৪ লাখ ৪৪ হাজার ৪০০ টাকা।

কমল মহাজন পশুর হাটের জন্য রাজস্ব বিভাগের কাঙ্খিত দর ছিল ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা। গত বছর এই হাট ইজারা দেয়া হয়েছিল ৫১ হাজার টাকায়। এ দুটি অস্থায়ী পশুর হাটে সিটি করপোরেশন যদি কোনো ইজারাদার না পায় তাহলে বাজার দুটিতে পশু বেচা-বিক্রি করা যাবে না।

সূত্র জানায়, কোরবানির ঈদ উপলক্ষে নগরীর ৬টি অস্থায়ী পশুর হাটের জন্য ২৬ জুলাই দরপত্র আহ্বান করেছিল চসিক। ছয়টি বাজারের মধ্যে চারটি বাজারের জন্য মোট ৩৯টি দরপত্র বিক্রি হলেও বাক্সে জমা পড়েছিল মাত্র ১৮টি। জমাকৃত চারটি বাজারের দরপত্রের বিপরীতে কাঙ্খিত দর পেয়েছে। চারটি অস্থায়ী বাজারের ইজারার বিপরীতে ৩ কোটি ৬১ লাখ ৮৭ হাজার ৭৮৬ টাকার দর পেয়েছে সিটি করপোরেশন।

এরমধ্যে কর্ণফুলী পশু বাজারের জন্য (নূর নগর হাউজিং) সর্বোচ্চ ২ কোটি ১৮ লাখ টাকা, স্টিল মিল পশুবাজারের জন্য সর্বোচ্চ ৯২ লাখ ১ হাজার টাকা, পতেঙ্গা সিটি করপোরেশন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ (কাটগড়) বাজারের জন্য সর্বোচ্চ ৩৩ লাখ ৮১ হাজার টাকা ও পোস্তারপাড় স্কুল মাঠে ছাগল বাজারের জন্য দর উঠেছে ১৮ লাখ ৫ হাজার ৭৮৬ টাকা।

ad