খালেদাকে কারাগার থেকে বিএসএমএমইউতে নেয়া হয়েছে

Sylhet, journey, Khaleda Zia,
ad

জাগরণ ডেস্ক: কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার এক্সরেসহ রক্ত পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) নেয়া হয়েছে।

শনিবার (৭ এপ্রিল) বেলা ১১টা ২০ মিনিটে তাকে নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বের করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) নেয়া হয়।

বিএসএমএমইউর কয়েকজন চিকিৎসক জানিয়েছেন, যে কক্ষে খালেদা জিয়ার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে তা প্রস্তুত করা হয়েছে।

এদিকে, শনিবার সকাল থেকে বিএসএমএমইউতে পুলিশের তৎপরতা দেখা গেছে। বিএসএমএমইউ সংলগ্ন শাহবাগ মোড়ে পুলিশের একটি প্রিজন ভ্যান রয়েছে সকাল থেকে, আছে জলকামানের গাড়িও। খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে আনার খবরে রাজধানীর নাজিমুদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারসহ আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

জানাগেছে, খালেদা জিয়ার চিকিত্সার জন্য কিছু বিষয়ের পরীক্ষা জরুরি বলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চার সদস্যের মেডিকেল বোর্ড একটি সুপারিশ করে। ওই সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) নেয়ার সিন্ধান্ত নেয়া হয়।

কারা কর্তৃপক্ষের আবেদনে তার জন্য বিএসএমএমইউতে একটি কেবিন তার জন্য তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়ে এই চিকিৎসা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ আলী আসগর মোড়ল বলেন, আমরা তার জন্য একটি কেবিন রেডি করেছি। তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড সেখানে তাকে দেখবেন।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের অর্থোপেডিক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মো. শামসুজ্জামান। বোর্ডের সদস্য হিসেবে রয়েছেন- ডা. মনসুর হাবীব (নিউরোলজি), টিটু মিয়া (মেডিসিন) ও সোহেলী রহমান (ফিজিক্যাল মেডিসিন)।

এর আগে গতকাল বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আর্থ্রাইটিজের সমস্যাটা বেশ বেড়ে গেছে। তার হাঁটতেও কষ্ট হচ্ছে বলে জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে যান বিএনপি মহাসচিব। প্রায় এক ঘণ্টা খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠক করেন। কারাগার থেকে বেরিয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের মির্জা ফখরুল এ তথ্য জানান।

তিনি সাংবাদিকদের জানান, খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। তার হাঁটুর সমস্যা বেড়ে গেছে। চলতে-ফিরতে কষ্ট হয়। কিছু স্নায়ুবিক সমস্যা আছে। তার জন্য যেমন চিকিৎসা দরকার তা তিনি পাচ্ছেন না।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৫ বছরের সাজার রায়ের পর থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন কারাগারে রয়েছেন।

তিনি আপিল করে জামিনের আবেদন জানালেও তার শুনানি মে মাসে নির্ধারিত রয়েছে। ফলে তার আগে তার কারামুক্তির কোনো সম্ভাবনা নেই।

ad