রাবি শিক্ষক রেজাউল হত্যায় ২ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড

RU teacher, Rezaul, murder, 2 militants, death penalty,
ad

জাগরণ ডেস্ক: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক এ এফ এম রেজাউল করিম সিদ্দিকী হত্যা মামলায় নিষিদ্ধ জঙ্গি দল জেএমবির দুই সদস্যের মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার (৮ মে) দুপুর ২টার পর রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শিরীন কবিতা আখতার আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুজন হলো- শরিফুল ইসলাম ও মাসকাওয়াত হাসান। যাবজ্জীবনপ্রাপ্তরা হলো- আবদুস সাত্তার, রিপন আলী ও রহমত উল্লাহ।

আদালত সূত্রে জানাগেছে, হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী শরিফুল ইসলাম এখনও পলাতক। আবদুস সাত্তার রয়েছেন জামিনে। বাকি তিন আসামী কারাগারে।

আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষ হয় ২০১৭ সালের ৬ নভেম্বর। এরপর আটজনকে আসামী করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

আট আসামীর মধ্যে খায়রুল ইসলাম বাঁধন, নজরুল ইসলাম ওরফে বাইক হাসান ও তারেক হাসান ওরফে ওসমান অভিযোগপত্র দেয়ার আগেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন। তাই তাদের বিরুদ্ধে বিচারকাজ পরিচালিত হয়নি।

অধ্যাপক রেজাউল করিমের মেয়ে রিজওয়ানা হাসিন শতভি বলেন, এই রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। এই রায়ই যেন উচ্চ আদালতে বহাল থাকে এবং দ্রুত কার্যকর হয়। পলাতক শরিফুলকে আমরা দেখতে চাই। তাকে যেন দ্রুত গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার আসামী জেএমবির শরিফুল এখনও গ্রেপ্তার না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন নিহত শিক্ষক রেজাউল করিমের মেয়ে রিজওয়ানা হাসিন শতভি। তিনি বলেন, শরিফুল বাবাকে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী। সে এখনও গ্রেপ্তার হলো না। এই বিষয়টা আমাদের খুব পীড়া দেয়। আমরা তো তার বিচারই আগে দেখতে চাই।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এন্তাজুল হক বাবু বলেন, গত ১১ এপ্রিল মামলার রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামীপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। ওই দিন বিচারক রায় ঘোষণার জন্য ৮ মে দিন ধার্য করেন। এ মামলায় মোট ৩২ জন সাক্ষী ছিলেন। তবে আদালত ২৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন।

২০১৬ সালের ২৩ এপ্রিল সকালে রাজশাহী নগরের শালবাগান এলাকায় নিজের বাড়ি থেকে মাত্র ৫০ গজ দূরে কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যা করা হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক এ এফ এম রেজাউল করিম সিদ্দিকীকে।

ad