ইলিশ রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার 

hilsa fish
ad

জাগরণ ডেস্ক: সরকার চোরাই পথে ইলিশ মাছ পাচার ঠেকাতে বৈধভাবে রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ।

সোমবার (৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, পাচারকারীরা জীবনের অনেক বেশি ঝুঁকি নিয়ে এসব ইলিশ বিদেশে পাচার করছে। তাদের ঠেকাতে আমরা দফায় দফায় বিজিবির সাথেও মিটিং করেছি। নতুন করে পাওয়া অনেক বড় সমুদ্রসীমা পাহারা দিয়ে ইলিশ পাচার ঠেকানো কঠিন হচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশীয় ইলিশ চোরাই পথে যখন বর্ডার পার হয়ে অন্য রাষ্ট্রে যায় তখন বড় বড় ইলিশই যায়। কত বেশি পরিমাণে ইলিশ এভাবে চলে যায় তা আজও ঠিক করে বলা যাচ্ছে না। এতে রাজস্ব থেকে রাষ্ট্র বঞ্চিত হয়। তাই অবৈধপথে পাচারের পথ সংকুচিত করতেই বৈধপথে ইলিশ রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বড় মাছ বাজারে আনতে হলে গোপন পথটি বন্ধ করতে হবে, আমাদের সদর পথটি চালু করতে হবে।

নারায়ন চন্দ্র চন্দ বলেন, আমরা রপ্তানির দিকে যেতে চাচ্ছি এই কারণেও যে আমাদের ইলিশ উৎপাদন বেড়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারেও চাহিদা রয়েছে। সেজন্য আমরা কিছুটা রপ্তানি করতে চাই।

মন্ত্রী বলেন, মা ইলিশ সংরক্ষণে গত কয়েক বছর ধরে সরকার যে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে, তা অব্যাহত থাকবে। আমরা ডিম ছাড়ার সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছি, জাটকা নিধন বন্ধ রাখার প্রকল্প চলবে। ইলিশ মাছের বিচরণ ক্ষেত্রগুলোও সংরক্ষিত রাখা হবে।

তিনি জানান, উপকূলীয় অঞ্চলের জেলেদের দাদনের হাত থেকে রক্ষায় তাদের সাবলম্বী করে তুলতে একটি প্রকল্প নেয়া হচ্ছে এবং গভীর সমুদ্র থেকে মাছ আহরণ করতে গবেষণা চলছে। আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে দেশে দুধের ঘাটতিও পূরণ করা সম্ভব হবে।

ad