বিশ্ববাজারে স্বর্ণের মূল্যে বড় দরপতন

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন হয়েছে। এক সপ্তাহেই আউন্সে স্বর্ণের দাম কমেছে ৫০ ডলার। অবশ্য এই দরপতনের আগে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় উত্থান হয়।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, স্বর্ণের পাশাপাশি গতে সপ্তাহে প্লাটিনাম ও রুপার দামেও বড় পতন হয়েছে। গত সপ্তাহে রুপার দাম কমেছে প্রায় ৬ শতাংশ। আর প্লাটিনামের দাম কমেছে ৪ শতাংশের ওপরে।

গত সপ্তাহে লেনদেন শুরু হওয়ার আগে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল এক হাজার ৮৪৩ দশমিক শূন্য ৬ ডলার। সপ্তাহ শেষে তা কমে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭৯২ দশমিক ৬৯ ডলার। অর্থাৎ এক সপ্তাহে আউন্সে স্বর্ণের দাম কমেছে ৫০ দশমিক ৩৭ ডলার বা দুই দশমিক ৮১ শতাংশ।

অন্যদিকে গত সপ্তাহে রুপার দাম ৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স দাঁড়িয়েছে ২৩ দশমিক ১৩ ডলারে। আরেক দামি ধাতু প্লাটিনামের দাম গত সপ্তাহজুড়ে কমেছে ৭ দশমিক ৫২ শতাংশ। এতে প্রতি আউন্স প্লাটিনামের দাম দাঁড়িয়েছে ৯৫৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ।

এদিকে এই দরপতনের আগে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় উত্থান হয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। সর্বশেষ গত ১৩ নভেম্বর ভরিতে দুই হাজার ৩৩৩ টাকা বাড়িয়ে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করে বাজুস।

এতে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম হয়েছে ৭৪ হাজার ৩০০ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৭১ হাজার ১৫০ এবং ১৮ ক্যারেটের ৬২ হাজার ৪০২ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম হয়েছে ৫২ হাজার ৮০ টাকা।

বিশ্ববাজারে দরপতনের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হবে কি না জানতে চাইলে বাজুস সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, আমরা সোমবার বিশ্ববাজারের চিত্র দেখতে চাই। যদি বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমার ধারা অব্যাহত থাকে, তাহলে দেশেরও বাজারেও স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হবে।