চট্টগ্রামে এইচএসসি পরীক্ষায় ৯৩ হাজার ৮৮৯ জন পরীক্ষার্থী

এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড থেকে অংশ নিচ্ছে ৯৩ হাজার ৮৮৯ জন পরীক্ষার্থী। গতবছর এইচএসসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১ হাজার ১০২ জন। সে হিসেবে এবার কমেছে ৭ হাজার ২১৩ জন পরীক্ষার্থী।


রবিবার (৬ নভেম্বর) বেলা ১১টায় চট্টগ্রামসহ সারাদেশে একযোগে শুরু হয়েছে এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। চলবে বেলা ১টা পর্যন্ত। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করেছেন পরীক্ষার্থীরা।


চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১১১টি কেন্দ্রে ২৬৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ছাত্র ৪৫ হাজার ৩৩৯ জন এবং ছাত্রী ৪৮ হাজার ৫৪৩ জন পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। এছাড়া চট্টগ্রাম জেলায় (মহানগরসহ) পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৬৮ হাজার ৯৯৬ জন, কক্সবাজারে ১১ হাজার ৪৫৪ জন, রাঙামাটিতে ৫ হাজার ১১৫ জন, খাগড়াছড়িতে ৫ হাজার ৪৭১ জন, বান্দরবানে ২ হাজার ৮৫৩ জন পরীক্ষার্থী।


বিজ্ঞান বিভাগ থেকে অংশ নিচ্ছে ১৮ হাজার ৬৭৫ জন পরীক্ষার্থী। তারমধ্যে ৯ হাজার ৭৮৬ জন ছাত্র ও ৮ হাজার ৮৮৯ জন ছাত্রী।


মানবিক বিভাগ থেকে ৪১ হাজার ৯৮৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৭ হাজার ৪২৩ জন ছাত্র ও ২৪ হাজার ৫৬৫ জন ছাত্রী। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ৩৩ হাজার ২১৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৮ হাজার ১৩০ জন ছাত্র ও ১৫ হাজার ৮৯ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।


সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে বন্ধের দিনেও খোলা থাকছে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নারায়ণ চন্দ্র নাথ বলেন, পরীক্ষা সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য দ্রুত বোর্ড কর্তৃপক্ষকে পাঠাতে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। এছাড়া পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে পরীক্ষার আগের দিন শনিবারও অফিস খোলা রেখেছে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড।


পরীক্ষা শুরু হওয়ার ২৫ মিনিট আগে প্রশ্নের সেট কোড ঘোষণা করা হবে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব সৃষ্টিকারী ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো প্রতিষ্ঠান, প্রতিষ্ঠান প্রধান, শিক্ষক কোনোভাবে পাবলিক পরীক্ষায় বেআইনি কাজ করলে সে প্রতিষ্ঠান, প্রতিষ্ঠান প্রধান ও শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং প্রয়োজনে পরীক্ষা কেন্দ্র বাতিল করা হবে। অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা অননুমোদিত ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবেন না।