নড়াইলে কিশোরীকে ৯ দিন আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ

নড়াইলে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীকে নয় দিন আটকে রেখে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে লোহাগড়া থানায় মামলা করেন।

মামলায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও পাঁচ-ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে লোহাগড়া উপজেলার দুজন, নড়াইল সদর উপজেলার চারজন এবং মাগুরা জেলার মোহম্মদপুর উপজেলার একজন রয়েছেন।

এর আগে প্রাথমিক অভিযোগের ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গতকাল বুধবার রাতে বিপ্লব শরীফ (৩৫) নামের এক যুবককে আটক করে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার মামলা হওয়ার পর তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বিপ্লব শরীফ (৩৫) জেলার লোহাগড়া উপজেলার নলদী ইউনিয়নের নখখালী গ্রামের লতিফ শরীফের ছেলে।

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, লোহাগড়া উপজেলার নলদী ইউনিয়নের ওই কিশোরীর সঙ্গে মো. রেজাউলের (৩০) প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। রেজাউল মাগুরার মোহম্মদপুর উপজেলার মশাখালী গ্রামের মোতালেবের ছেলে। বিয়ের কথা বলে ৯ মে সন্ধ্যায় রেজাউলের বাসায় ওই কিশোরীকে নিয়ে যান বিপ্লব শরীফ। সেখানে ১২ মে পর্যন্ত তাকে আটকে রেখে পাঁচজন দলবদ্ধ ধর্ষণ করেন।

এরপর নড়াইল সদর উপজেলার ভদ্রবিলা ইউনিয়নের ঝিকরা গ্রামে এক বাড়িতে পাঁচ দিন আটকে রেখে তাকে ফের দলবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। ১৮ মে বিকেলে সেখান থেকে পালিয়ে রক্ষা পায় ওই কিশোরী।

লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া বিপ্লব শরীফকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। কিশোরীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।