ইসলামপুরে সরকারি ত্রাণের টাকা চেয়ারম্যানের পকেটে

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার গাইবান্ধা ইউনিয়নে গত পবিত্র ঈদ-উল আজহা উপলক্ষে দরিদ্র ও দুস্থ পরিবারের মাঝে দুর্যোগ পরিস্থিতিতে 'মানবিক সহায়তা কর্মসূচি' জেনারেল রিলিফের (জিআর) আর্থিক সহায়তা নগদ অর্থ উত্তোলনের এক মাস পেরিয়ে গেলেও সুবিধিভোগীদের মাঝে বিতরণ করা হয়নি।

উপজেলা দুর্যোগ মোকাবেলা ও ত্রাণ শাখা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের প্রতিটি ইউনিয়নে দরিদ্র ও দুস্থ পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে ৫০০ পরিবারে ৫০০ টাকা মাথাপিছু হারে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয় সরকার। গত ৬ জুলাই একমাত্র পলবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ছাড়া বাকি ১১টি ইউপির স্ব-স্ব চেয়ারম্যানগণ স্বাক্ষর দিয়ে ত্রাণ শাখা থেকে টাকার চেক গ্রহণ করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গাইবান্ধা ইউনিয়নে সুবিধাভোগীদের নামে তালিকা এখনো করা হয়নি। কেউ বলতেও পারেন না, কারা ওই টাকা পাবেন। টাকা বিতরণ করা হবে কিনা, এ নিয়ে ধোয়াশার সৃষ্টি হয়েছে।

গাইবান্ধা ইউনিয়নের তদারকি কর্মকর্তা একাডেমিক সুপার ভাইজার মামুনুর রশীদ জানান, 'এখনো টাকা বিতরণ করা হয়নি।'

গাইবান্ধা ইউপি সচিব ফিরুজুল আলম জানান, 'টাকা বিতরণ করা হয়নি।

উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা (পিআইও) মেহেদী হাসান টিটু জানান, 'টাকা বিতরণের জন্য আমরা একাধিকবার তাগিদ দিয়েছি। এরপরও দরিদ্র ও দুস্থদের মাঝে এখনো কেনো টাকা বিতরণ করা হয়নি তা বোধগম্য নয়।'

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. গোলাম মোরশেদ বলেন, 'কোরবানি ঈদ উপলক্ষে সরকারি বরাদ্দের জিআরের টাকা দুস্থদের মাঝে এখনো বিতরণ না করার বিষয়টি আমার জানা ছিল না। এখন যেহেতু জানলাম, সেহেতু খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।'