হাতীবান্ধায় কিটনাশক দিয়ে ধান নষ্ট করার অভিযোগ

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় কিটনাশক স্প্রে করে ৫ বিঘা জমির ধান গাছ নষ্ট করে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে আমিনুর গংদের বিরুদ্ধে। । এতে করে আনুমানিক ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগী আমিনুর।

মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে ভুক্তভোগী আমিনুর রহমান বাদী হয়ে ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে হাতীবান্ধা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ফকিরপাড়া ইউনিয়নের দালালপাড়া গ্রামে।

অভিযুক্তরা হলেন, উপজেলার দালাল পাড়া গ্রামের ওমর আলী, আ: সোবাহান, রেজাউল, সামশুল, ওয়াহেদ, বাতেন, নজরুল, জুলফিকার আলী ভুট্টু, অহিলা বেগম, রিপা বেগম, ময়না বেগম ও রাশেদা বেগম।

জানা গেছে, ভুক্তভোগী কৃষক আমিনুর রহমান তার নিজ ৫ বিঘা জমিতে বোরো ধান রোপণ করেন। কিন্ত পূর্ব শত্রুতার জেড়ে ওই এলাকার ওমর আলী, আ: সোবাহানসহ বেশ কয়েকজন গত শুক্রবার রাতে ক্ষতিকর কিটনাশক স্প্রে করে। এতে ধান গাছ গুলো মরে যায়।

ভুক্তভোগী আমিনুর রহমান আমিন জানান, ওমর আলীদের সাথে দীর্ঘ দিন ধরে জমি-জমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। সেই শত্রুতার জেড়ে গত শুক্রবার রাতের আধারে ওমর আলীসহ বেশ কয়েকজন আমার ৫ বিঘা জমির ধান ক্ষেতে ঘাস মারা ঔষধ স্প্রে করে পুড়িয়ে দেয়। আমি এর সঠিক বিচার চাই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওমর আলী বলেন, আমি রংপুরে বসবাস করি। আমি কিভাবে গ্রামে গিয়ে তাদের ধান ক্ষেত নষ্ট করি। তারা নিজেই ধান ক্ষেত নষ্ট করে আমাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।

ফকিরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ধানের ক্ষেত দেখতে সরেজমিনে গিয়ে পরিদর্শন করেছি। কৃষক আমিনুর রহমান আমিনের ৫ বিঘা জমির ধান ক্ষেত পুরে গেছে। তাদেরকে আইনের সহায়তা নিতে বলা হয়েছে।

হাতীবান্ধা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ওমর ফারুক বলেন, বিষয়টি শুনে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখত আবেদন করতে বলছি। ক্ষতিগ্রস্থ ধান ক্ষেত দ্রুত পরিদর্শন করা হবে।

হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) এরশাদুল আলম জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।