লালমনিরহাটে এক পিআইও নিয়ে চলছে দুই উপজেলা

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার দীর্ঘদিন থেকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দিয়েই চলছে  প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) অফিস। প্রায় ৩ বছর যাবত পিআইওর পদটি শুন্য থাকায় স্থবির হয়ে পড়েছে কার্যক্রম। এ বিষয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আশু দৃষ্ঠি প্রয়োজন মনে করছেন সচেতন মহল।


জানাগেছে, হাতীবান্ধা উপজেলায় গত ০১/১০ /১৪ ইং সালে ফেরদৌস আহমেদ নামের একজন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) পদে যোগদান করে চাকরি বিধি মোতাবেক ৩ বছর কর্মরত থাকার বিধান থাকলেও দীর্ঘ ৬ বছর একই স্থানে থেকে ২০১৯ সালে পার্শ্ববর্তি কালীগঞ্জ উপজেলায় বদলি হয়ে যায়। ফলে হাতীবান্ধা উপজেলায় পিআইও এর পদটি শুন্য হয়। এমতাবস্থায় শুন্য পদে নতুন পিআইও যোগদান না করায় শুধু মাত্র দায় সাড়ার জন্য পিআইও ফেরদৌস আহমেদকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়।


সপ্তাহে ৫ দিন অফিসের মধ্যে কালীগঞ্জে ৩ দিন এবং হাতীবান্ধায় ২ দিন রশি টানা টানি করে অফিস চালানো হচ্ছে। এতে যেমন কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করা যায় না তেমনি কোন জরুরি  প্রয়োজনে হাতের কাছে দেখা মিলে না। 


নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক কয়েক ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, যে কোন জরুরি প্রয়োজন মিটাতে প্রায় দিনেই অফিস সহকারীকে ২৫ কিলো পদ পাড়ি দিয়ে কালীগঞ্জে গিয়ে দেখা করতে হয়। সেই সুযোগে বেড়ে গেছে অনিয়ম। এভাবেই রশি টানাটানি আর সীমাহীন দুর্ভোগের মাঝে আড়াই বছর গত হলেও ৩ লক্ষাধিক জনসাধারণের বৃহত্তর হাতীবান্ধা উপজেলাবাসীর এ দুর্ভোগ দেখার কেউ নেই। বিষয়টি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয়ে দৃষ্টি দেয়া আশু প্রয়োজন।