নারায়ণগঞ্জে কেন্দ্র দখল নিয়ে সংঘর্ষে পুলিশ কর্মকর্তাসহ আহত ১০

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে নির্বাচনের আগের রাতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশ পরিদর্শকসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। 


বুধবার দিবাগত রাতে ১২টার দিকে বন্দরের ধামগড় ইউনিয়ন পরিষদের জাঙ্গাল এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। 


আহতদের মধ্যে পরিদর্শক নিরু মিয়া, এসআই সোহেল রানার অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 


পুলিশ বলছে, একদল বহিরাগত সন্ত্রাসী কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করছিল। তাদের প্রতিহত করতে শতাধিক রাবার বুলেট, শর্টগানের গুলি ছুড়েছে পুলিশ। তিনজন পুলিশ সদস্য আহত হয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে কেন্দ্র দখলের চেষ্টায় কোনো প্রার্থীর লোকজন জড়িত ছিল কিনা সে বিষয়ে পুলিশ এখনও নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেনি। তবে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী কামাল হোসেনের ৫ সমর্থককে আটক করেছে।


এ ব্যাপারে বন্দর থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, রাতে  দুর্বৃত্তরা কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এতে সংঘর্ষ বাধে। পুলিশ শতাধিক রাউন্ড রাবার বুলেট ও শর্টগানের গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।


তিনি বলেন, ওই সংঘর্ষের ঘটনায় পরিদর্শকসহ দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জখম পুলিশ সদস্য নিরু মিয়া ও এসআই সোহেল রানাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 


তিনি বলেন, সকাল ৮টায় যথা সময়ে ওই কেন্দ্রর ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে।


এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম বলেন, নির্বাচনে যারাই সহিংসতা ও কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচনের নিরাপত্তায় মাঠে বিজিবি, র্যাব, পুলিশ, আনসার সদস্যরা কাজ করছে। কেউ বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করলে কাছুকে ছাড় দেওয়া হবে না।