জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী ঘোষণা দায়িত্বজ্ঞানহীন: সৌদি আরব

Jeruzalem
ad

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জেরুজালেম প্রসঙ্গে নীরবতা ভেঙে অবশেষে কথা বলেছে সৌদি আরব। জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে ঘোষণাকে তারা ট্রাম্পের অন্যায্য ও দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ বলে মন্তব্য করেছেন।

বুধবার (৬ ডিসেম্বর)হোয়াইট হাউজ থেকে এক ভাষণে বিতর্কিত জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি আমেরিকান দূতাবাস তেল আবিব থেকে জেরুজালেমে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে বলেও গোষণা দেন।

এরপরই এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হয়ে উঠে বিভিন্ন দেশ। যুক্তরাষ্ট্রের এমন সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে আরব দেশগুলোও। এর পরিণতি বিপজ্জনক হবে বলে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেছে জর্ডান। তবে এরপর মুসলিম দেশগুলোর নেতা সৌদি আরব কোনো বিবৃতি দেয়নি। আজ সৌদি বাদশা সালমান আনুষ্ঠানিকভাবে জেরুজালেম ইস্যুতে নিজেদের বক্তব্য দেন।

সৌদি রয়াল কোর্টের বিবৃতির বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ শান্তি প্রক্রিয়ার প্রচেষ্টাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

এদিকে, ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিলেও তা প্রত্যাখ্যান করেছে ইউরোপ ও জাতিসংঘ। জাতিসংঘ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইসরায়েলে যুক্তরাষ্ট্রের দূতবাস জেরুজালেমে সরিয়ে নেওয়ার ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা ঝুঁকির মুখে পড়বে বলে সতর্ক করেছে। আগামীকাল শুক্রবার জেরুজালেম প্রশ্নে জরুরি বৈঠকও ডেকেছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ।

জেরুজালেম ইসরায়েলি এবং ফিলিস্তিনিদের কাছে একটি পবিত্র স্থান। এ নিয়ে দু’দেশের মধ্যে বহুদিন ধরেই বিতর্ক চলে আসছে। ইসরায়েল সব সময়ই জেরুজালেমকে তাদের রাজধানী বলে স্বীকৃতি দিয়ে আসছে। অপরদিকে ভবিষ্যত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে জেরুজালেমের পূর্বাঞ্চলকে দেখতে চায় ফিলিস্তিনিরা। ট্রাম্পের এই স্বীকৃতির ফলে ইসরায়েলি এবং ফিলিস্তিনিদের সংঘর্ষ আরও বাড়বে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

ad