ডিএনএ টেস্টের জন্য জঙ্গি মুসার মা, ভাই ও বোন ঢাকায়

militant musa
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: সিলেটের আতিয়া মহলে নিহত চার জঙ্গির মধ্যে নব্য জেএমবির শীর্ষ নেতা মাঈনুল ইসলাম ওরফে মুসা আছে কিনা নিশ্চিত হতে মরদেহের ডিএনএ টেস্ট করা হবে। এ জন্য মুসার মা, ভাই ও বোনকে ঢাকায় আনা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) সকালে রাজশাহী জেলা পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তবে তিনি নিজের নাম প্রকাশ না করে জানান, জঙ্গি মুসার মা সুফিয়া বেগম, সৎ ভাই আবদুল খালেক ওরফে খায়রুল এবং ছোটবোন কামরুন নাহারকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে। তাদের প্রথমে ঢাকায় নিয়ে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হবে। এরপর তাদের সিলেট নিয়ে গিয়ে সন্দেহভাজন জঙ্গির মরদেহ দেখানো হবে।

এ বিষয়ে রাজশাহীর পুলিশ সুপার (এসপি) মোয়াজ্জেম হোসেন ভুঁইয়া বলেন, জঙ্গি মুসার পরিচয় নিশ্চিত হতে তার পরিবারের সহযোগিতা নেয়া হচ্ছে। তবে মুসার স্বজনদের পুলিশ হেফাজতে নেয়ার বিষয়ে স্পষ্ট করে বলেননি তিনি।

পুলিশের ভাষ্যমতে, মুসা নব্য জেএমবির শীর্ষ নেতা। নব্য জেএমবির কয়েকজন শীর্ষ নেতা নিহত হওয়ার পর মুসা নব্য জেএমবিকে গোছানোর কাজে হাত দেয়। মেজর জাহিদের হাত ধরে জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ে মঈনুল ইসলাম মুসা। মুসা উত্তরার লাইফ স্কুলে একসময় শিক্ষকতা করলেও পরে নব্য জেএমবিতে যোগ দিয়েছিল স্ত্রীসহ। গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর আশকোনার এক জঙ্গি আস্তানা থেকে চার মাসের শিশু সন্তানসহ গ্রেপ্তার করা হয় জঙ্গি মুসার স্ত্রী তিশামণিকে (২২)।

কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের কর্মকর্তারা বলেন, মৃত এক জঙ্গির চেহারার সঙ্গে মুসার আগের ছবির মিল পাওয়া গেছে। এখন মুসার পরিবারের সদস্যদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে তা মিলিয়ে দেখা হবে।

ad