পবিত্র রমজান মাস শুরু

রমজানের চাঁদ
ad

জাগরণ ডেস্ক: মুসলমানদের আত্মশুদ্ধি আর সংযমের মাস পবিত্র রমজান শুরু হয়েছে। আগামীকাল শুক্রবার (১৮ মে) থেকে রোজা শুরু হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ মে) সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে শেষ হয় আরবী ১৪৩৯ হিজরী সনের শাবান মাস এবং শুরু হয় পবিত্র রমজান মাস।

এশার নামাজের পর তারাবি নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে শুরু হবে রোজার আনুষ্ঠানিকতা। আর শেষ রাতে সেহরি খেয়ে মুসলমানরা শুরু করবেন সিয়াম সাধনা।

ঢাকা ও এর আশেপাশের এলাকায় আজ সেহরির শেষ সময় ভোর রাত ৩টা ৪৬ মিনিট এবং আগামীকালের ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬ টা ৩৯ মিনিটে।

আত্মশুদ্ধি ও সংযমের মাস রমজান— পবিত্র কুরআন অবতীর্ণ হওয়ার এ মাসে সংযম সাধনা ও ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করেন মুসলমানরা।

মাসব্যাপী তারাবির নামাজ আদায় এবং ভোররাতে সেহরি খেয়ে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার না করে সংযম পালন করেন ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা।

হিজরী সালের শাবান মাসের সমাপ্তির পর প্রতিবছর মানবজীবনের সকল কালিমা দূর করার বিশেষত্ব নিয়ে আগমন মাহে রমযানের। রমযান শব্দের আভিধানিক অর্থ আত্মসংযম।

ইসলামের ৫টি মূল স্তম্ভের অন্যতম রোজা— পবিত্র রমযান মাসেই মুসলিম জাতির ওপর রোজা ফরজ করা হয়। রমজানের প্রথম ১০ দিন রহমতের, মাঝের ১০ দিন মাগফেরাতের আর শেষের ১০ দিন নাজাতের।

যাবতীয় কামনা-বাসনা নিয়ন্ত্রণ করে মহান আল্লাহ তায়ালার একনিষ্ঠ বান্দা হওয়ার চেষ্টায় রত হন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। এ মাসেই মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (স.) এর ওপর অবতীর্ন হয় মানবমুক্তির সনদ পবিত্র কুরআন মাজিদ।

হাদিসে আছে, এ মাসে যেকোন ইবাদতে ৭০ গুণ বেশী সওয়াব পাওয়া যায়। আর তাই মুসলমানরা এই এক মাস সিয়াম সাধনার পাশাপাশি বিশেষ ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য ও করুণা অর্জনে সচেষ্ট থাকেন।

মহান আল্লাহর করুণা ও অপার রহমত প্রাপ্তির সৌভাগ্য মেলে এ মাসে। পাপ- পঙ্কিলতা থেকে মুক্তির সুযোগ এনে দেয় রমযান। অন্য মাসের তুলনায় ইবাদতের সওয়াবও বাড়িয়ে দেয়া হয় বহুগুণে।

শ্রেষ্টতম এ মাসে ইবাদাত-বন্দেগী করে কাঙ্খিত লক্ষ্যে ধাবিত হতে চান ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা, বিরত থাকেন যাবতীয় কুপ্রবৃত্তি থেকে।

ad