বজ্রপাতে তিন জেলায় নিহত ৭

lightning
ad

জাগরণ ডেস্ক: দেশের তিন জেলা ফরিদপুর, কুষ্টিয়া এবং পটুয়াখালীতে বজ্রপাতের ঘটনায় সাতজন নিহত হয়েছেন।

সোমবার (১৯ জুন) এ বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে।

ফরিদপুর: জেলার সদর, সালথা ও চরভদ্রাসন উপজেলায় বজ্রপাতে মা ও ছেলেসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন।

সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের ভাবুকদিয়া গ্রামে বজ্রপাতে মৃত দবিরদ্দীন মোল্লার প্রতিবন্ধী মেয়ে সেলিনা বেগম (৩৫), সেলিনার ছেলে হেলাল মোল্লা (১৩) ও একই গ্রামের রহমান খানের ছেলে মিলন খান (৩৩) মারা যান।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আমিনুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চরভদ্রাসন উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের ছমির ব্যাপারীর ফসলি মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে কাবেল বিশ্বাস (৪০) নামের এক দিনমজুরের মৃত্যু হয়েছে। কাবেল কুষ্টিয়ার হাটখোলা গ্রামের বাদল বিশ্বাসের ছেলে।

হরিরামপুর ইউনিয়নের তিন নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বিল্লাল মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের কবিরপুর খেয়াঘাটে বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন দিনমজুর মো. ওমর (৪৫)।

তিনি নাটোর জেলার মো. আনসারের ছেলে।

নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মোস্তাকুজ্জামান বলেন, দুপুর ১২টার দিকে বৃষ্টি শুরু হলে কয়েকজন শ্রমিক খেয়াঘাটে একটি ছাপড়ায় আশ্রয় নেন। ওই ছাপড়ায় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই নিহত হন ওমর।

কুষ্টিয়া: জেলার দৌলতপুরে বজ্রপাতে বাদশা (১৮) নামের এক তরুণ নিহত হয়েছেন।

উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ঠাকুরপাড়া গ্রামে হতাহতের এ ঘটনা ঘটে।

রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সিরাজ মণ্ডল জানান, বাদশার ভাই রাজাসহ (১৬) আরও তিনজন আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। আর নিহত বাদশার লাশ উদ্ধার করে নিজ বাড়িতে নেওয়া হয়। বাদশা ঠাকুরপাড়া গ্রামের আবদুর রাজ্জাকের ছেলে।

পটুয়াখালী: জেলার দুমকি উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামে বজ্রাহত হয়ে মাওলানা আবদুল কাদের গাজী (৪৫) নামের এক মাদ্রাসা শিক্ষক মারা গেছেন।

তিনি দুমকির পশ্চিম আঙ্গারিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিবাকর চন্দ্র দাস জানান, দুপুরে কাদের গাজী নিজ বাড়িতে গোসল করার সময় বজ্রাহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরিবারের লোকজন তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় দুমকি লুথ্যারান হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ad