বাংলাদেশে বিড়ি থাকবে না: অর্থমন্ত্রী

Abul mal Abdul Mohit
ad

জাগরণ ডেস্ক: অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানিয়েছেন, তিন বছর পর বাংলাদেশে আর বিড়ি থাকবে না।

মঙ্গলবার (৩০ মে) সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আন্দোলনরত বিড়ি শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিড়ি ইজ ডেঞ্জারাস ফর হেলথ দেন সিগারেট। আপনারা মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছেন। এটা করার অধিকার আপনাদের নেই।

এ সময় অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বিড়ি শ্রমিক নেতাদের তুমুল বাকবিতণ্ডা হয়। বিড়ি শ্রমিকদের পক্ষে পাল্টা যুক্তি তুলে ধরে ডা. শেখ মহীউদ্দিন বলেন, বিড়ির ওপর ট্যাক্স নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ শতাংশ। অন্যদিকে, সিগারেটের ওপর ট্যাক্স কমানো হচ্ছে বলে জানাগেছে। এটা হলে বিড়িশিল্প ধসে পড়বে। লাখ লাখ বিড়ি শ্রমিক বেকার হয়ে যাবে। আপনি বিড়ি বন্ধ করে সিগারেট মানুষের হাতে তুলে দিতে পারেন না। এটার অধিকার আপনার নেই।

জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা তো সিদ্ধান্ত নিয়েছি বাংলাদেশে আর বিড়ি রাখব না। বাংলাদেশে আর কোনোভাবেই বিড়িকে থাকতে দেয়া হবে না। আপনারা তো বিড়ি খাইয়েও মানুষকে মারতে পারেন না। এটার অধিকারও আপনাদের নেই। আমি যখন ছাত্র ছিলাম। তখন নাজিমউদ্দিন রোডে অনেক বিড়ির কারখানা দেখেছি। এখন একটাও নেই। বিড়ি ইজ সো ব্যাড, সিগারেট থেকে।

এ পর্যায়ে ডা. শেখ মহীইদ্দিন বলেন, আমাদের কাছে এক হাজার কোটি টাকার কাঁচা তামাক পড়ে আছে কাঁচামাল হিসেবে। আমরা এগুলো এখন কি করব? আপনি তো আমাদের অভিভাবক।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ঠিক আছে, আপনাদের দুই বছর না তিন বছর সময় দেওয়া হলো। এর মধ্যে সব শেষ করে ফেলেন। আমরা সিগারেটের পক্ষেও না। সেটা নিয়েও কাজ চলছে।

মহীউদ্দিন বলেন, আপনার কোমল হাত দিয়ে বিড়ির ওপর ২০০ পারসেন্ট ট্যাক্স বৃদ্ধি করতে পারেন না। আপনাকে কেউ ভুল বুঝিয়েছে। এটা আমরা বিশ্বাস করি না।

জবাবে মন্ত্রী বলেন, না না না। এটা আমি নিজেই করেছি। আমি বুঝেশুনেই করেছি। বরং প্রধানমন্ত্রী এটাতে রাজি ছিলেন না। আমিই প্রধানমন্ত্রীকে বুঝিয়ে এটা করেছি।

ad