মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে আজীবন কাজ করে যাব: প্রধানমন্ত্রী

ad

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশের সাধারন মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে আজীবন কাজ করে যাওয়ার আকাংখা ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের লক্ষ্য দেশের সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা। মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন করা। আমি আজীবন সে কাজ করে যাব।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার বেলা পৌনে ১২টায় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ঘোনাপাড়ায় শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্বোধনকালে আয়োজিত সমাবেশে এ কথা বলেন।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের উদ্বোধন করতে টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর তিনি বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘দুর্নীতি করে ভাগ্য গড়তে আসিনি। আমি জাতির পিতার কন্যা। রাজনীতি করছি নিজের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য নয়, মানুষের কল্যাণে। বাকিটা জীবন সেটাই করে যাবো।’

PM 011

প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের মহান আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে বলেন, ‘এই দেশের মানুষের জন্য আমার বাবা-মা, ভাই-বোন সবাই জীবন দিয়ে গেছেন। আমি সব হারিয়েছি,আমার তো আর হারাবার কিছু নেই। চাওয়া-পাওয়ার কিছু নেই। এখন এ দেশের মানুষের জন্য কিছু করতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়নকে অনেকে বিস্ময় বলেন, আমি বলি এটি বিস্ময় নয়, বিশ্বাস। জনগণের প্রতি বিশ্বাস। এই বিশ্বাস আছে বলেই দেশের উন্নতি করতে পারছি। নিয়ত ভালো বলে যেখানেই হাত দিচ্ছি, সেখানেই সাফল্য অর্জন করছি’।

বিএনপি-জামায়াত পদ্মা সেতু নিয়ে ষড়যন্ত্র না করলে এতো দিনে এই সেতুর নির্মাণ কাজ আরও এগিয়ে যেতো বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন,তাঁর সরকার দেশের প্রতিটি জেলায় সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় করে দিচ্ছে। উচ্চশিক্ষা খাতসহ দেশের ১ কোটি ৭০ লাখ ছাত্র-ছাত্রীকে মেধাবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে।

 গোপালগঞ্জবাসীর প্রতি আগের সরকারের  বৈরিতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, গোপালগঞ্জ অবহেলিত ছিল। সেটি হয়েছিল একটি বিশেষ কারণে। বাজেটে টাকা দেয়া হতো। কিন্তু,উন্নয়ন হতো না। এখান থেকে এক সময় বিশ্ববিদ্যালয়ও সরিয়ে নেয়া হয়েছিল।

স্বাস্থ্যখাতে তাঁর সরকারের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখাতে উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। আরও তিনটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ করছি। এ ছাড়া প্রতিটি বিভাগে একটি করে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করার ঘোষণাও দেন তিনি।

ad