রোহিঙ্গা হত্যার স্বীকারোক্তি মিয়ানমার সেনাপ্রধানের

Rohingyas, citizenship, denial, Myanmar army chief,
ad

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রোহিঙ্গা নির্যাতনে সেনাবাহিনীর সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার শেষ পর্যন্ত স্বীকার করেছে মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হলাইং। তবে বরাবরের মতোই সেনাপ্রধান তাদের ‘বাঙালী জঙ্গি’ হিসেবে তাদের আখ্যায়িত করে।

বুধবার (১০ জানুয়ারি) সেনাপ্রধান মিন অং হলাইংয়ের কার্যালয় থেকে এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে জানানো হয়, গত ২ সেপ্টেম্বর ১০ জন রোহিঙ্গাকে হত্যার সঙ্গে সেনাসদস্যরা জড়িত ছিলেন।

স্থানীয় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ও সেনা সদস্যরা ওই হত্যাকাণ্ড ঘটায় জানিয়ে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে বিবৃতিতে। গ্রামবাসী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে।

এর পাশাপাশি রাখাইনে একটি রোহিঙ্গা গণকবরের সন্ধান পাওয়ার কথা জানানো হয় ওই পোস্টের মাধ্যমে। এতে বলা হয়, ১০ রোহিঙ্গাকে প্রথমে আটক করেন সেনাসদস্যরা। পরে তাঁদের একটি সমাধিক্ষেত্রে নিয়ে হত্যার সিদ্ধান্ত হয়।

ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, গত ১ সেপ্টেম্বর নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ওই এলাকায় অভিযানে গেলে ‘২০০ বাঙালী সন্ত্রাসী লাঠি ও তরবারি নিয়ে হামলা চালায়’। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনী ফাঁকা গুলি ছুড়লে অন্যরা পালিয়ে গেলেও ১০ জন ধরা পড়ে।

আইন অনুযায়ী আটকদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা উচিত ছিল। কিন্তু জঙ্গিরা একের পর এক হামলা চালাচ্ছিল এবং তারা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সেনাবাহিনীর দুটি যান ধ্বংস করেছিল।

পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ‘১০ বাঙালী সন্ত্রাসীকে থানায় হস্তান্তরের কোনো পরিস্থিতি ছিল না এবং তাদের মেরে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়,’ তদন্ত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বলেছে সেনাবাহিনী।

ad