আবার উত্তপ্ত রাঙামাটি, ২৪ ঘন্টায় খুন ২

pahar
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: পাহাড়ি দুই সংগঠনের হামলা পাল্টা হামলায় আবারও উত্তপ্ত হয়ে পড়েছে রাঙামাটি। গত ২৪ ঘন্টায় দু’পক্ষের হামলা পাল্টা হামলায় ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) এক সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এমএন লারমা) এক সদস্য নিহত হয়েছে।

নিহতরা হলেন- ইউপিডিএফ কর্মী জনি তঞ্চঙ্গ্যা (৪০) এবং জনসংহতি সমিতির (এমএন লারমা) কর্মী পঞ্চায়ন চাকমা ওরফে সাধন চাকমা (৩০)। পঞ্চায়ন চাকমার বাড়ি নানিয়ারচর উপজেলার সাবেক্ষ্যং ইউনিয়নে।

জানা যায়, বুধবার দুপুরে নানিয়ারচর উপজেলার ২ নম্বর সাবেক্ষং ইউনিয়নের ফরেস্ট অফিস এলাকায় ইউপিডিএফ সদস্য জনি তঞ্চঙ্গাকে গুলি করে হত্যা করে একদল দুর্বৃত্ত। ইউপিডিএফ সমর্থিত পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের রাঙামাটি জেলার সভাপতি কুনেন্টু চাকমা এ হত্যাকাণ্ডের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকে (এমএন লারমা) দায়ী করেন।

জনি তঞ্চঙ্গাকে হত্যার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পঞ্চায়ন চাকমা ওরফে সাধন চাকমা (৩০) ও কালোময় চাকমাকে (২৯) পেরাছড়া এলাকা থেকে দুর্বৃত্তরা অপহরণ করে নিয়ে যায়। অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর পঞ্চায়ন চাকমার গলাকাটা লাশ কেঙ্গালছড়ি এলাকায় ফেলে যায়। জনসংহতি সমিতির (এমএন লারমা) নেতা সুদর্শন চাকমা এ ঘটনার জন্য ইউপিডিএফকে দায়ী করেন।

নানিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল লতিফ জানিয়েছেন, দলীয় পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে এ দুটি খুনের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তাদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাঙামাটি সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

গত কয়েকমাস ধরেই রাঙামাটিতে পাহাড়ি সংগঠনগুলোর মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। এসব বিরোধের জের ধরে প্রায়ই ঘটছে অপহরণ, হামলা পাল্টা হামলা, খুনের মতো ঘটনা। শুধু এ বছরই পাহাড়ি তিনটি সংগঠন ইউপিডিএফ, ডেমোক্রেটিক ইউপিডিএফ ও জনসংহতি সমিতির অন্তত সাতজন নিহত হয়েছে। এসব ঘটনায় সংগঠনগুলো একে অপরকে দায়ী করছে।

ad