পদ্মা সেতুতে বসছে আরও একটি স্প্যান

ad

জাগরণ ডেস্ক: পদ্মা সেতুর আরও ১৫০ মিটার দৃশ্যমান হতে যাচ্ছে। এ সপ্তাহের মধ্যেই সেতুর জাজিরা প্রান্তের ৪০ ও ৪১ নম্বর পিলারের উপর স্প্যান (সুপার স্ট্রাকচার) বসানো হবে। এটি সম্পন্ন হলে সেতুর ৬০০ মিটার দৃম্যমান হবে।

শনিবার (১২ মে) সকাল ৯টার দিকে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্য ও তিন হাজার ১৪০ টন ওজনের স্প্যানটি জাজিরা প্রান্তের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছে।

জানাগেছে, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ নম্বর পিলারে তিনটি স্প্যান বসানোর মাধ্যমে পদ্মা সেতুর ৪৫০ মিটার কাঠামো padmaদৃশ্যমান হয়েছে। কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে প্রস্তুত করার পর আজ শনিবার সকালে ভাসমান ক্রেন দিয়ে ধূসর রঙের স্প্যানটি জাজিরায় পাঠানোর কাজ শুরু হয়। দুপুর ১২টার দিকে ক্রেনটি ৩২ নম্বর খুঁটির কাছাকাছি অবস্থান করছিল। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ১৪ বা ১৫ মে স্প্যানটি বসানোর কাজ সম্পন্ন হবে।

পুরো সেতু তৈরিতে বসানো হবে এ রকম ৪১টি স্প্যান।মাওয়ার কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে আরও ১৬টি স্প্যান প্রস্তুত রয়েছে। এগুলোর ওপর রং দেওয়ার কাজ চলছে। একইভাবে পদ্মা নদীর ওপর খুঁটির নির্মাণকাজও পুরোদমে চলছে। আগের পাঁচটি খুঁটিসহ আগামী দুই মাসের মধ্যে মোট ১৮টি খুঁটি দৃশ্যমান করা সম্ভব হবে বলে জানান পদ্মা সেতুর প্রকল্পের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

২০১৫ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর মূল অবকাঠামো নির্মাণকাজ শুরু হয়। এ পর্যন্ত প্রকল্পের প্রায় ৫১ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। সেতুতে মোট ৪২টি পিলার থাকবে। এর মধ্যে ৪০টি পিলার নির্মিত হবে নদীতে এবং দুটি নদীর তীরে।

পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। ভায়াডাক্টসহ দৈর্ঘ্য প্রায় সাড়ে ৯ কিলোমিটার। দ্বিতল এই সেতুটি হবে স্টিলের। পদ্মা সেতুতে কংক্রিটের ৪২টি খুঁটি বা পিলার হবে। আর এসব খুঁটির নিচে ২৭২টি পাইল বসাতে হবে।

৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সেতু নির্মাণ প্রকল্পে ব্যয় হবে ২৮ হাজার ৭৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। আগামী বছরের ডিসেম্বরে কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। ২০১৯ সালের মধ্যে সেতুটি যাবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

ad