রমজানে গরুর মাংস ৪৫০, খাসির মাংস ৭২০

রমজান, গরুর মাংস ৪৫০, খাসির মাংস ৭২০, টাকা , কেজি,
ad

জাগরণ ডেস্ক: রাজধানীতে আসন্ন রমজান মাস উপলক্ষে ঢাকা দক্ষিণ সি‌টি ক‌রপো‌রেশন (ডিএস‌সি‌সি) দেশী গরুর প্রতি কেজি মাংসের সর্বোচ্চ দাম ৪৫০ টাকা এবং খা‌সির মাংস ধরা হয়েছে প্রতি কেজি ৭২০ টাকা। এই দাম সিটি করপোরেশনের আওতাধীন বাজারগুলো ছাড়াও সুপারশপগুলোর জন্যও প্রযোজ্য হবে।

সোমবার (১৪ মে) ডিএসসিসিতে মাংস ব্যবসায়ী‌দের স‌ঙ্গে মত‌বি‌নিময় শে‌ষে দাম নির্ধার‌ণের এ ঘোষণা দেন মেয়র সাঈদ খোকন।

এই দাম গত বছর রোজায় বেঁধে দেয়া দামের চেয়ে ২৫ টাকা কম। গত বছর প্রতি কেজি গরুর মাংসের জন্য ৪৭৫ টাকা দাম ঠিক করে দিয়েছিল নগর কর্তৃপক্ষ।

গতবছর প্র‌তি কেজি দেশি গরুর মাংসের মূল্য ধরা হয় ৪৭৫ টাকা, বি‌দেশি বোল্ডারের দাম ছিল ৪৪০ টাকা, ম‌হিষের মাংসের দাম ছিল ৪৪০ টাকা ও খা‌সির মাংসের দাম ছিল ৭২৫ টাকা। এ হিসেবে গতবছর থেকে এ বছর গরুর মাংসের দাম ২৫ টাকা কমানো হয়েছে। কমেছে অন্যান্য মাংসের দামও।

মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, সাধারণত আমরা যে দর নির্ধারণ করি তারাও সেটাই করে। গত বছরও দুই সিটি করপোরেশনের মাংসের দাম একই ছিল। নির্ধা‌রিত দা‌মের বেশি মূল্যে কেউ মাংস বি‌ক্রি কর‌লে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হ‌বে। আমরা বলতে পারি, পণ্যমূল্য ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে। অধিকাংশ পণ্যের দাম স্থিতিশীল আছে। আশা করি এমনটা পুরো রোজা জুড়ে থাকবে।

ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্য মেয়র বলেন, একটি মাস আমরা মুনাফা কম করলাম। এটা করলে হয়ত আল্লাহ আরও উন্নতি দিতে পারে আমাদের ব্যবসায়। একটি মাস মাংসের মূল্য এবং গুণগত মান নিশ্চিত করি। ওজন যেন ঠিক দিই। সাধারণ ক্রেতা যেন না ঠকে। এ ব্যাপারে আমাদের ধর্মেও কঠোর অনুশাসন আছে। এ তিনটি জিনিস আমরা নিশ্চিত করি।

এদিকে, ঢাকা মহানগর মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রবিউল আলম সভায় বলেন, গাবতলী পশুরহাটে মাংস ব্যবসায়ীরা ‘নির্যাতনের শিকার’ হচ্ছেন। এর পেছনে ডিএনসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা জড়িত। ইজারাদারের সন্ত্রাসীরা মাংস ব্যবসায়ীদের বেঁধে রাখে। রাতের আঁধারে তাদের কাছে টাকা আদায় করে। আর ডিএনসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা লুটের টাকার অংশ নিচ্ছে, কোটি কোটি টাকার মালিক হচ্ছে।

তিনি দক্ষিণের মেয়রের উদ্দেশ্যে বলেন, গাবতলীর সন্ত্রাসীদের হাত থেকে আমাদের রক্ষা করুন। আপনি উত্তরের মেয়রকে একটা ফোন করুন। আমাদের অন্য কোনো দাবি নাই। সরকার যে রেট নির্ধারণ করে দিয়েছে আমরা সেই রেটে টাকা জমা দিতে চাই। এটা করলে তিনশ টাকা কেজি মাংস বিক্রি করা সম্ভব।

ad