চিকুনগুনিয়ার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ঢাকার ২৩ এলাকা

Chikungunya, risky, Dhaka, 23 area
ad

জাগরণ ডেস্ক: রোগ পর্যবেক্ষণকারী সরকারের সংস্থা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনস্ত আইইডিসিআর মশাবাহিত রোগ চিকুনগুনিয়ার জন্য অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঢাকার ২৩টি এলাকাকে চিহ্নিত করেছে।

বৃহস্পতিবার (৮ জুন) সচিবালয়ে চিকুনগুনিয়া বিস্তার প্রতিরোধ সংক্রান্ত সভায় এই গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করে আইইডিসিআর।

এলাকাগুলো হচ্ছে- ধানমণ্ডি ৩২, ধানমণ্ডি ৯/এ, উত্তরা ৯ নম্বর সেক্টর, মধ্যবাড্ডা, গুলশান-১, লালমাটিয়া, পল্লবী, মগবাজার, মালিবাগ চৌধুরী পাড়া, রামপুরা, তেজগাঁও, বনানী, নয়াটোলা, কুড়িল, পীরেরবাগ, রায়ের বাজার, শ্যামলী, উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টর, মণিপুরিপাড়া, মোহাম্মদপুর, মহাখালী, মিরপুর-১ ও কড়াইল বস্তি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানীর এই ২৩টি এলাকায় চিকুনগুনিয়ার বাহক মশার ঘনত্ব বেশি বলে গবেষণায় দেখা গেছে।

এডিস প্রজাতির এডিস ইজিপ্টি এবং এডিস এলবোপিকটাস মশা থেকেই চিকুনগুনিয়া রোগের সংক্রমণ ঘটে। চিকুনগুনিয়া ভাইরাসটি টোগা ভাইরাস গোত্রের। মশাবাহিত হওয়ার কারণে একে আরবো ভাইরাসও বলে। এ ধরনণের মশা সাধারণত ভোর বেলা অথবা সন্ধ্যার সময় কামড়ায়।

ডেঙ্গু ও জিকা ভাইরাসও এই মশার মাধ্যমে ছড়ায় এবং রোগের লক্ষণ প্রায় একই রকম বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

আইইডিসিআরের জ্যেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এ এস এম আলমগীর বলেন, চিকুনগুনিয়ায় ভীষণ ব্যথা হয়, অনেক সময় নড়াচড়াই করা যায় না। ব্যথা হয় সব অস্থিসন্ধিতে। গিটে গিটে ব্যথার পাশাপাশি মাথা কিংবা মাংসপেশিতে ব্যথা, শরীরে ঠাণ্ডা অনুভূতি, চামড়ায় লালচে দানা, বমি বমি ভাবও চিকনগুনিয়ার লক্ষণ।

ডা. আলমগীর বলেন, মশা খুব দ্রুতই একজন থেকে অন্যজনের দেহে এই রোগ নিয়ে যায়। তাই মশারি ব্যবহার করতে হবে, এমনকি দিনের বেলায়ও।

চিকুনগুনিয়া পরীক্ষার জন্য অপেক্ষা না করে জ্বর হলে প্যারাসিটামল সেবনের পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

ad