গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫২

Gaza, attacks, 10 Palestinians, killed,
ad

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফিলিস্তিনের জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তর ও ইসরায়েলের দখলদারির বিরুদ্ধে গাজা সীমান্তে শুরু হওয়া বিক্ষোভে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর গোলা ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন  দুই হাজারেরও বেশি মানুষ।

সোমবার (১৪ মে) বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে সর্বশেষ তথ্য (বাংলাদেশ সময় সোমবার রাত ১০টা) অনুযায়ী এই হতাহতের সংখ্যা পাওয়া গেছে।

আজ সকাল থেকেই গ্রেট মার্চ অব রিটার্ন আন্দোলনের অংশ হিসেবে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার অত্যন্ত সুরক্ষিত সীমানা বেড়া পেড়িয়ে ইসরায়েলে ঢোকার চেষ্টা করেছেন ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারীরা। বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নিতে গাজায় লাখো ফিলিস্তিনি পৌঁছেছেন। জেরুজালেম থেকে উত্তরাঞ্চলের রামাল্লাহকে বিভক্তকারী কালানদিয়া সামরিক তল্লাশি চৌকির কাছেও বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন তারা।

স্থানীয় সাংবাদিক মারাম হুমােইদ কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে বলেন, বিক্ষোভে যত সংখ্যক মানুষ অংশ নিয়েছেন তা নজিরবিহীন। গত সাত সপ্তাহের প্রতিবাদে এমন জনসমাবেশ দেখা যায়নি।

এদিকে, ইসরায়েল রাষ্ট্রের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মার্কিনিরা জেরুজালেমে তাদের দূতাবাস খুলতে যাচ্ছে। সোমবার জেরুজালেমে মার্কিন কনস্যুলেট ভবনের ভেতরে ছোট পরিসরে অন্তর্বর্তীকালীন দূতাবাসের কার্যক্রম শুরু করছে যুক্তরাষ্ট্র।

এই দূতাবাসের উদ্বোধন করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে ইভানকা ট্রাম্প এবং জামাতা জ্যারেড কুশনার বর্তমানে জেরুজালেমে রয়েছেন।

উল্লেখ্য, ১৯৪৮ সালের এই দিনে লাখ লাখ ফিলিস্তিনি তাদের বাড়িঘর ফেলে শরণার্থী শিবিরে বা অন্য স্থানে চলে আসতে বাধ্য হয়েছিল। কারণ ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর তাদের বাড়িঘর দখল হয়ে যায়, তারা বিতাড়িত হয়। ২০০৭ সাল থেকে গাজা অবরুদ্ধ করে রেখেছে ইসরায়েল। সেখানকার ৭০ শতাংশ মানুষই ফিলিস্তিনের বিভিন্ন জায়গা থেকে বিতাড়িত হয়ে সেখানে এসে বাস করছেন।

ad