ট্রাম্পের বিরুদ্ধে পর্ন তারকার মানহানির মামলা

Porn star, 20 million dollars, compensation, trump,
ad

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মানহানিকর টুইট করার অভিযোগে মামলা করেছেন পর্ন তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলস।

সোমবার (৩০ এপ্রিল) নিউইয়র্কের ডিস্ট্রিক কোর্টে তিনি এ মামলা করেছেন বলে ড্যানিয়েলসের আইনজীবী নিশ্চিত করেছেন।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের এই পর্ন অভিনেত্রী দাবি করেন, ২০০৬ সালে ট্রাম্পের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। আর মেলানিয়া ট্রাম্পের ছেলে ব্যারন জন্মানোর চার মাসের মধ্যেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে তার শারীরিক সম্পর্ক হয়।

ড্যানিয়েলস বলেন, সত্যি কথা বলতে আমি এখনও জানি না যে কেন সেটা করেছিলাম। কিন্তু আমাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়েছিল। আমার খুবই ভালো লেগেছিল। আমি বলেছিলাম যে প্লিজ, আমাকে টাকা দেয়ার চেষ্টা করো না।

তিনি বলেন, ট্রাম্প একটি গলফ টুর্নামেন্টে তার সঙ্গে ডিনার করার জন্য আমাকে আমন্ত্রণ জানান। সেখানেই আমাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়। আমরা কিছুক্ষণের জন্য একসঙ্গে ছিলাম। ট্রাম্প বারবার বলছিলেন, আমি আবারও তোমাকে ডাকবো। তোমাকে আবার দেখতেই হবে আমার, তুমি অসাধারণ।

এই পর্ন অভিনেত্রী আরও বলেন, এরপর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমাদের দেখা হয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলসের বেভারলি হিলসে ট্রাম্পের নিজের বাড়িতেও একবার মিলিত হয়েছিলাম আমরা।

ট্রাম্পের টুইট বার্তার আগে স্টর্মি এক ব্যক্তির স্কেচ এঁকে জানান, ২০১১ সালে ওই ব্যক্তিকে তাকে হুমকি দিয়ে বলেছিল- ট্রাম্পকে একা থাকতে দাও।

স্টর্মির দাবি, ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে ইন টাচ নামে একটি সাময়িকীতে সাক্ষাৎকার দিতে রাজি হওয়ার পর লাস ভেগাসের একটি গাড়ি পার্কিংয়ের স্থানে ওই ব্যক্তি তাকে হুমকি দিয়েছিল।

গত ১৮ এপ্রিল এসব অভিযোগকে মিথ্যাচার আখ্যা দিয়ে একটি টুইট করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছিলেন, কয়েক বছর পর অস্তিত্ত্বহীন একজন মানুষের স্কেচ। সম্পূর্ণ বাজে কাজ, বোকার জন্য খেলছে মিথ্যা সংবাদের গণমাধ্যম।

স্টর্মির মামলার আবেদনে বলা হয়েছে, ২০১১ সালে যে হুমকি দেয়া হয়েছিল ট্রাম্পের বিবৃতিতে অসত্যভাবে তার প্রতি হামলা চালানো হয়েছে। ট্রাম্পের বিবৃতি মিথ্যা ও মানহানিকর।

চলতি বছরের প্রথম দিকে মার্কিন গণমাধ্যম জানায়, ২০০৬ সালে স্টর্মির সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে স্টর্মির মুখ বন্ধ রাখতে তাকে নিজের আইনজীবী মাইকেল কোহেনের মাধ্যমে ১ লাখ ৩০ হাজার ডলার দিয়েছিলেন ট্রাম্প।

ad