থাইল্যান্ডে নৌকাডুবিতে নিহত অর্ধশতাধিক

Thailand, boat, dead, more than 50,
ad

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: থাইল্যান্ডের পশ্চিম উপকূলীয় দ্বীপ ফুকেটের কাছে পর্যটকবাহী নৌকাডুবির ঘটনায় অর্ধশতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩৩ জন চীনা নাগরিক। নৌকাটিতে মোট ১০৫ জন আরোহী ছিলেন, যাদের মধ্যে ৯৩ জন পর্যটক ও ১২ জন ক্রু ছিলেন। উদ্ধার হয়েছেন ৪৯ জন।

বৃহস্পতিবার (৫ জুলাই) বিকালে প্রবল ঝড়ের কবলে পড়ে পর্যটকবাহী নৌকাটি ডুবে যায় বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার (৬ জুলাই) দুপুরে সর্বশেষ তথ্য জানায় থাই হার্বার ডিপার্টমেন্ট। সন্ধ্যায় উদ্ধার অভিযান স্থগিত ঘোষণা করে থাই কর্তৃপক্ষ। বাকি নিখোঁজদের সন্ধানে শনিবার (৭ জুলাই) ভোর ৫টায় পুনরায় অভিযান শুরু করা হবে।

থাই নৌবাহিনীর ফেসবুক পেইজে পোস্ট করা ছবিতে, কমলা রঙের লাইফ জ্যাকেট পরা উদ্ধারকৃত যাত্রীদের দেখা যায়।

নৌকাডুবির ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। উপকূল থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে উল্টে যাওয়া নৌযানটি নিবন্ধিত ছিল, ঘটনার সময় সেটিতে অতিরিক্ত যাত্রী ছিল না বলেও জানিয়েছে তারা।

ট্যুরিস্ট পুলিশ ব্যুরোর উপপ্রধান মেজর জেনারেল সুরাচাতে হাকপার্ন বলেছেন, সাধধান হও, প্রকৃতি কৌতুকের বিষয় নয়। ট্যুরিস্ট পুলিশ আগেই ফুকেটের ব্যবসায়ীদের উপকূলে নৌকা চালানোর ব্যাপারে সতর্ক করেছিল; কিন্তু তারা সে নির্দেশনা লঙ্ঘন করেছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে জানা যায়, বুধবার (৪ জুলাই) থেকে প্রবল ঝড়ের সতর্কতা দেয়া হলেও এই পর্যটকবাহী নৌকাটি ফুকেটের উপকূলে আন্দামান সাগরে চলে যায়। এরপর ঝড় শুরু হলে ১৬ ফুট উঁচু পর্যন্ত ঢেউ আছড়ে পড়ে উপকূলে।

থাইল্যান্ডের সড়ক ও নৌপথে নিরাপত্তা নিয়ে অনেক পর্যটক সংস্থা আপত্তি জানিয়েছে। তাদের অভিযোগ, গাড়িতে সিট বেল্ট না থাকা এবং নৌকায় জীবন রক্ষাকারী জ্যাকেট না থাকার বিষয়গুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি।

এদিকে চীনের ব্যাংককের দূতাবাস থেকে এই ঘটনায় দ্রুত উদ্ধার কাজ করতে থাইল্যান্ড সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছে। এছাড়া ঘটনাস্থলে একটি উদ্ধারকারী দল পাঠাতেও অনুরোধ করেছে দূতাবাসটি।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লু কাং বলেছেন, দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং এই ঘটনার ওপর গভীর দৃষ্টি রাখছেন। এছাড়া উদ্ধার তৎপরতায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি।

ad