ধর্ষণের জন্য দায়ী নরেন্দ্র মোদি!

victim
ad

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রতিবেশী দেশ ভারতে একের পর এক লোমহর্ষক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে। চারদিন আগেও বোর্ড পরীক্ষায় প্রথম হয়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর নিকট থেকে পুরস্কার নেয়া এক ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। আর এরপরই নির্যাতিতার মা তার মেয়েসহ ভারতে ঘটা ধর্ষণের জন্য দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দায়ী করেছেন।

মোদির স্বপ্নের ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ প্রকল্পের বাস্তবতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে ভিকটিম কিশোরীর মা বলেন, ‘‘কী করছেন মোদি? দেশের বেটিদের এটাই কি ভবিষ্যৎ। মেয়েদের কেন সুরক্ষা দিতে পারছে না দেশ। এর দায় প্রধানমন্ত্রীর।

এদিকে, ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর মায়ের এমন মন্তব্যের পর ভারতের রাজনীতিতে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলো এটাকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনী প্রচারে নেমেছে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে উঠেপড়ে narendra modiলেগেছে বিজেপিও।

স্থানীয় প্রশাসনকে দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে ওই ছাত্রীকে ১২ জন মিলে ধর্ষণ করলেও পুলিশ তিনজনকে অভিযুক্ত করেছে। এরমধ্যে একজন সেনা সদস্যও আছে।

অন্যদিকে, গণধর্ষণের ঘটনায় ক্ষতিপূরণ বাবদ দু’লক্ষ টাকার আর্থিক অনুদান দিতে গিয়ে ফের বিপাকে পড়েছে দেশটির সরকার। সরকারি টাকা ফিরিয়ে দিয়ে নির্যাতিতার মা বলেন, টাকা দিয়ে কী হবে? যদি সাহায্য দিতেই হয়, তাহলে দোষীদের শাস্তি দিয়ে দেখান।

তিনি আরও বলেন, সরকারের কাছে একটি মেয়ের সম্মানের মূল্য মাত্র দু’লক্ষ টাকা? টাকার বিনিময়ে যদি মহিলাদের সম্মান কেনা যেত, তাহলে ভারতীয় নারীদের ঐতিহ্য বলে আর কিছু থাকতো না।

জানা যায়, সিবিএসই পরীক্ষায় হরিয়ানার মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন ১৯ বছরের ওই ছাত্রী৷ এরপরেই রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পান তিনি। বুধবার টিউশন থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাকে অপহরণ করে কয়েকজন ব্যক্তি। পরে অনেক দূরে একটা নির্জন এলাকায় নিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে ওই ১২ জন।

এরপর তাকে কানিনা বাসস্ট্যান্ডের কাছে ফেলে রেখে যায় অভিযুক্তরা। অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয়রা। বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ভিকটিমের পরিবারের অভিযোগ, ধর্ষণকারীরা সবাই এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি। তারা এখন এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে তাদের হুমকি ধামকি দিচ্ছে। এমনকি বৃহস্পতিবার সকাল থেকে একাধিক ঘুরেও মামলা করতে পারেননি তারা। পুলিশ মামলা নিতে চাচ্ছে না।

ad