পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের দুই কোরিয়ার ঐতিহাসিক ঘোষণা

Nuclear disarmament, two Korea, historic declaration,
ad

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কোরীয় দ্বীপে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণে ঐতিহাসিক ঘোষণা দিয়েছেন দুই কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট। তারা কোরীয় দ্বীপে একসঙ্গে কাজ করার প্রতিও সম্মতি জানান।

শুক্রবার (২৭ এপ্রিল) সীমান্তে দুই দেশের প্রেসিডেন্টের ঐতিহাসিক বৈঠকের পর এক যৌথ ঘোষণায় এ কথা জানানো হয়। পাশাপাশি প্রায় সাড়ে পাঁচ দশক আগে শেষ হওয়া কোরিয়া যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক অবসানে চলতি বছরই শান্তি চুক্তি করার বিষয়েও একমত হয়েছেন তারা।

ঐতিহাসিক এই মুহূর্তে রসিকতা করতে ছাড়েননি উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন। দক্ষিণের প্রেসিডেন্ট মুন জায়েকে তিনি বললেন, এতোদিন ক্ষেপণাস্ত্রের শব্দে আপনার সকালের ঘুম ভাঙানোর জন্য দুঃখিত।

তিনি বলেন, সংঘাতের ইতিহাস শেষ করার জন্য এসেছি। আমরা আজ একটি লাইন শুরু করতে যাচ্ছি, যেখানে শান্তি, সমৃদ্ধি ও আন্তঃকোরীয় সম্পর্কের নতুন ইতিহাস লেখা হবে।

এরপর একটি নীল ফুটওভার ব্রিজে বসে খোশগল্পে মেতে ওঠেন তারা। সে সময় তাদের আশেপাশে আর কেউ ছিল না। গাছের ছায়ার নিচে চা পান করতে করতে দু’জনকে বেশ অন্তরঙ্গভাবে আলাপ করতে দেখা যায়। চারপাশে পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে ওঠে।

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইনকে বলেছেন, প্রতিবেশী এ দেশের মাটিতে পা রেখে হাঁটার সময় তিনি ‘আবেগাপ্লুত’ হয়ে পড়েছিলেন।

এর আগে সকালে বৈঠকের প্রথম পর্ব শেষে শান্তি স্থাপনের নিদর্শনস্বরূপ একটি চারা রোপন করেছেন দুই দেশের দুই শীর্ষ নেতা। দুই দেশের মাটি ও পানি নিয়ে রোপন করা হয় এই চারা। চারা রোপন শেষে পাশে একটি স্মারক চিহ্নও উদ্বোধন করেন কিম ও মুন। স্মারক চিহ্নে লেখা ছিল ‘শান্তি ও প্রগতি’।

ad