ভারতে ঝড়-বৃষ্টি-বজ্রপাতে নিহত ৬৭

India, storm, rain, thunder, 67 killed,
ad

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের উত্তর প্রদেশ, অন্ধ্র প্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ ও দিল্লিতে বয়ে যাওয়া ঝড়, ভারি বৃষ্টি ও বজ্রপাতে অন্তত ৬৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। আবহাওয়া অফিস থেকে বলা হয়, এই ধূলিঝড় আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

রবিবার (১৩ মে) বয়ে যাওয়া ঝড়, ভারি বৃষ্টি ও বজ্রপাতে বহু জায়গায় গাছপালা উপড়ে যায় ও দেয়াল ভেঙে পড়ে। বিমানের অন্তত ৭০টি ফ্লাইট সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়। পরে আবার চালু হয়। ব্যাঘাত ঘটে মেট্টো চলাচলে। অনেক জায়গার বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে।

শুধু উত্তর প্রদেশেই অন্তত ৩৮ জন মারা গেছেন। পশ্চিমবঙ্গে মারা গেছেন আরও ১২ জন, অন্ধ্র প্রদেশে নয়জন, তেলেঙ্গানায় তিনজন এবং রাজধানী দিল্লিতে পাঁচজন মারা গেছেন।

উত্তর প্রদেশের সম্বলপুড়ে বজ্রপাতের সময় আগুন ধরে প্রায় ১০০টি বাড়ি পুড়ে যায়। অন্ধ্রতে নিহতদের অধিকাংশই শ্রীকাকুলাম জেলার বাসিন্দা। তেলেঙ্গানায় নিহতরা সবাই কৃষক বলে জানিয়েছে কর্মকর্তারা।

ভারতের স্থানীয় নৌবন্দরগুলোকে মধ্যম মাত্রার (অরেঞ্জ ক্যাটাগরি) সতর্কতা দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এতে উত্তরের পাহাড়ী এলাকা, উত্তর –পূর্ব ও ওড়িশা এলাকার আবহাওয়া মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করতে পারে।

আবহাওয়া অফিস বলছে, জম্মু ও কাশ্মীরের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া পশ্চিমা বায়ুর প্রভাবে হরিয়ানায় ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হয়। হরিয়ানা থেকে নাগাল্যান্ডের পূর্ব-পশ্চিমমুখী বাতাস এবং বঙ্গোপসাগরের পূর্বমুখী বাতাস ঝড়ের গতিকে আরো বেগবান করছে।

উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ সব জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও কমিশনারদের তাৎক্ষণিকভাবে ত্রাণ সরবরাহ ও আহতদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেছেন, তার সরকার নিহতদের পরিবারদের সহায়তা দেবে। একইসঙ্গে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ঘরবাড়ি ও কৃষকদেরও সহায়তা দেবে তার সরকার।

ঝড়, বৃষ্টি, বজ্রপাতে নিহতদের জন্য গভীর শোক প্রকাশ করে নিহতদের পরিবার ও আহতদের সব ধরনের সহায়তার নির্দেশ দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

ad