যুক্তরাজ্যে কঠোর নিরাপত্তায় মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে

UK, voting, going on
ad

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাজ্যে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে মধ্যবর্তী সাধারণ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। মোট ৪০ হাজার ভোটকেন্দ্রে ভোট দিচ্ছে দেশটির ভোটাররা। ইংল্যান্ড, নর্দান আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের ভোটাররা পার্লামেন্টের ৬৫০টি আসনে নিজেদের প্রতিনিধি বেছে নেবেন।

বৃহস্পতিবার (৮ জুন) স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় শুরু হয় মধ্যবর্তী সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। ভোট গ্রহণ শেষ হবে রাত ১০টায়।

যুক্তরাজ্যের নির্বাচনী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কোনও ভোটার যদি লাইনে দাঁড়ানো থাকেন তবে নির্দিষ্ট সময় শেষ হয়ে যাওয়ার পরও তার ভোটটি গ্রহণ করা হবে। এবারের নির্বাচনে ৪ কোটি ৬৯ লাখ নিবন্ধিত ভোটারের অংশ নেয়ার কথা রয়েছে। ভোটারদের অনেকেই পোস্টাল ভোটের মাধ্যমে তাদের রায় দিয়েছেন। ২০১৫ সালের নির্বাচনে ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ ভোটার এভাবে ভোট দিয়েছিলেন।

দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও কনজারভেটিভ পার্টির নেতা টেরিজা মে পুনরায় দেশটির রাষ্ট্রক্ষমতায় আসছেন, নাকি লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন, তা নির্ধারণ হবে ভোটগ্রহণের পর। হাউস অব কমন্সে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হলে যেকোনো দলকে অবশ্যই ৩২৬টি আসনে জয় পেতে হবে।

জরিপ বলছে, জনপ্রিয়তার সূচকে কনজারভেটিভ পার্টি পেয়েছে ৪১ দশমিক ৫ পয়েন্ট। আর লেবার পার্টি পেয়েছে ৪০ দশমিক ৪ পয়েন্ট। গত মে মাসের শুরুতে ১৭ পয়েন্টে এগিয়ে ছিল কনজারভেটিভরা। এ ছাড়া লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি ছয় পয়েন্ট ও ইউকে ইনডিপেনডেন্স পার্টি তিন পয়েন্ট করে পেয়েছে।

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের মেয়াদ পাঁচ বছর হলেও ব্রেক্সিট বিষয়ে পার্লামেন্ট সদস্যরা ঐক্যমত্যে পৌঁছাতে না পারায় হঠাৎ করেই এপ্রিলে আগাম নির্বাচনের ডাক দেন প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে। ১৯৭৪ সালের পর যুক্তরাজ্যে এটিই প্রথম আগাম নির্বাচন।

এদিকে, দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ম্যানচেস্টার ও লন্ডনে হামলা হওয়ায় নির্বাচনে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। মেট্রোপলিটন পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়, প্রত্যেক লন্ডন বরোতে সুনির্দিষ্ট করে পুলিশি অভিযান চলবে। লন্ডনজুড়ে বিশেষায়িত এবং উচ্চ পর্যায়ের অভিযানের প্রস্তুতি রয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোন সময় তা পরিচালনা করা হবে।

ad