রাখাইন পরিস্থিতি আরও ভালোভাবে সামলানো যেতো: সুচি

Jagoran- Rakhine situation, Suu Kyi
ad

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সুচি বলেছেন, রাখাইনের পরিস্থিতি হয়তো আরও ভালোভাবে সামাল দেয়া যেতো।

বৃহস্পতিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, অবশ্যই কিছু উপায় ছিল। যা হয়ে গেছে তাতে পেছন ফিরে তাকালে ঘটনার পরবর্তী বিষয়গুলো বিবেচনা করে মনে হয়, এই সংকট আরও ভালোভাবে সামাল দেয়া যেতো।

অং সান সুচি বলেন, কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি যে দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য আমাদের সব পক্ষকে স্বচ্ছ হতে হবে। আমরা নির্ধারণ করে রাখতে পারি না যে আইনের মাধ্যমে কাকে সুরক্ষা দেয়া হবে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের দুই প্রতিবেদকের কারাদণ্ডের পক্ষে সাফাই গেয়ে তিনি সুচি বলেন, তাদের কারাদণ্ডের সঙ্গে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার কোনো সম্পর্ক নেই। উন্মুক্ত আদালতেই তাদের বিচার করা হয়েছে। আমি মনে করছি না, যে কেউ বিচারের ওই রায়ের সংক্ষিপ্তসার পড়লে বিরক্তবোধ করবেন। এর সঙ্গে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার কোনো সম্পর্ক নেই।

তিনি বলেন, আমরা যদি আইনের শাসনে বিশ্বাস করি, তাদের (দুই সাংবাদিক) অধিকার আছে এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার এবং তাঁরা দেখাবেন যে রায় কেন ভুল হয়েছে।

১৯৯১ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন সুচি। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করে শান্তিতে নোবেল পান এই নেত্রী। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে মিয়ানমার সরকার রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর যে নির্যাতন-নিপীড়ন চালিয়েছে, তার বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি।

ফলে ব্রিটিশ ট্রেড ইউনিয়ন, লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস, ইউএস হলোকাস্ট মিউজিয়াম, ডাবলিন এবং যুক্তরাজ্যের চারটি শহরসহ বেশ কিছু সংস্থা সুচিকে দেয়া তাদের সম্মাননা ফিরিয়ে নিয়েছে। তবে নোবেল পুরস্কার প্রত্যাহারের অনুমতি নেই বলে অল্পের জন্য নোবেল পুরস্কার খোয়াননি সুচি।

ad