সব রোহিঙ্গাদের ফেরাতে রাজি মিয়ানমার

Rohinga simanto
ad

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গত বছরের আগস্টে সেনাবাহিনীর দমন-পীড়ন অভিযান শুরুর পর বাংলাদেশে পালিয়ে আসা সাত লাখ রোহিঙ্গা যদি স্বেচ্ছায় ফিরে যেতে চায়, তাহলে তাদের সবাইকে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার রাজি বলে জানিয়েছেন দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা থাউং তুন।

শনিবার (২ জুন) সিঙ্গাপুরে আঞ্চলিক নিরাপত্তা সম্মেলন শাংরি-লা সংলাপে তিনি এ কথা জানিয়েছেন।

সম্মেলনে থাউংয়ের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষার জন্য জাতিসংঘ যে ফ্রেমওয়ার্ক নির্ধারণ করেছিল তা মিয়ানমার শুরু করতে পারবে কিনা। আরটুপি নামের ওই ফ্রেমওয়ার্ক ২০০৫ সালে পাস হয়েছিল জাতিসংঘে। এতে নিজের নাগরিককে গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ, জাতিগত নিধন ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ থেকে সুরক্ষা দিতে এবং স্বাক্ষর করা দেশগুলো যাতে যৌথভাবে দায় নিয়ে একে অপরকে সহযোগিতা করে সে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

থাউং সাংবাদিকদদের বলেন, আপনার যদি সাত লাখ রোহিঙ্গাকে স্বেচ্ছাভিত্তিতে ফেরত পাঠাতে পারেন তাহলে আমরা তাদের সবাইকে গ্রহণ করতে রাজি।

তিনি বলেন, রাখাইনে কোনো যুদ্ধ চলছে না, সুতরাং এটা কোনো যুদ্ধাপরাধ নয়। এটাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। কিন্তু এজন্য আমাদের পরিষ্কার প্রমাণ প্রয়োজন। গুরুতর এই অভিযোগ প্রমাণ করা উচিত এবং এটিকে হালকাভাবে নেয়া উচিত হবে না।

তিনি আরও বলেন, রাখাইনের যে আখ্যান প্রকাশিত হচ্ছে তা ‘অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর’। তবে সেখানে যে মানবিক সংকটের সৃষ্টি হয়েছে মিয়ানমার সেটাকে অস্বীকার করছে না। রাখাইনের ভুক্তভোগী মুসলিম জনগোষ্ঠীকে অস্বীকার করা হচ্ছে না। তবে সেখানে বৌদ্ধ ধর্মালম্বী রাখাইন, হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘুরাও নিপীড়িত হচ্ছে।

থাউং তুন বলেন, দেশকে রক্ষার অধিকার রয়েছে সেনাবাহিনীর। তবে তদন্তে যদি দেখা যায় তারা আইন লঙ্ঘন করেছে তাহলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ad