এটাই আসল ভায়াগ্রা, দাম শুনলে চমকে যাবেন

হিমালয় পাহাড়, বিশেষ করে তিব্বতীয় মালভূমিতে প্রায় তিন থেকে পাঁচ হাজার মিটার উচ্চতায় পাওয়া যায় ভায়াগ্রা বা ইয়ারসাগুম্বা ছত্রাক। যা মিশে থাকে পাহাড়ের ঢালে আগাছায়, ঘাসের গোড়ায়। কখনও শিকড়ের ঠিক তলায়।

মে এবং জুন মাসে দেখা মেলে বলেই দাঢিং, লামজুংয়ের মতো গ্রামের মানুষ ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়েন এই সময়। দিনে যদি কয়েকটা মিলে যায় তাহলেই কেল্লা ফতে। কারণ কখনো কখনো একটা ছত্রাক বিক্রি হয় ৫০ হাজার টাকায়।

এই বছর একটা ছত্রাক বিকিয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রায় দশ হাজার টাকায়। এখন বাড়ছে দামও। কেননা বিশ্ব উষ্ণায়ণের প্রভাবে এর উৎপাদন দ্রুত কমছে। তাছাড়া এর চাষ তো হয় না। একেবারে প্রাকৃতিক জিনিষ। তাও পাহাড়ি দুর্গম এলাকায় সব সময় খুঁজে পাওয়া কঠিন। এমনও দিন যায়, একটাও ছত্রাক বের করে আনতে পারেন না পাহাড়ের মানুষ।


নেপাল, ভুটান, এবং হিমাচল প্রদেশের কিছু জায়গায় এক পায়ে খাড়া এই ছত্রাক কেনেন লোকজন। প্রতি বছর যাঁরা ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়েন, তাঁদের সবাই ঘরে ফেরেন না এমনটা নয়। বরং অনেকেই প্রাণ হারান পাহাড়েই। পাহাড়ি মাটি আঙুল দিয়ে ঘাঁটতে হয় সাবধানে। হাতে ঘা হয়ে যায়। শরীরে ছোবল মারে স্নো বাইট।

সবার বিশ্বাস, শুঁয়োপোকা বা শুকনো লঙ্কার মতো এই ছত্রাকটা খেলে যৌন অক্ষমতা দূর হয়। বেড়ে যায় যৌন ক্ষমতা। আশি বছর বয়সেও আঠোরোর শক্তি ফিরিয়ে দিতে পারে এই পাহাড়ি ছত্রাক। শুধু তাই নয়, ক্যানসার, হাঁপানির মতো দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে মুক্তি মেলে।

এক কেজির দাম আন্তর্জাতিক বাজারে কম করে এক লাখ ত্রিশ হাজার ডলার। এক কেজি সোনার চেয়ে অনেক বেশি।

মন্তব্য লিখুন :