শীতে ঠোঁট ফাটা রোধে যা করবেন

শীত মানেই প্রকৃতিতে রুক্ষতা আর শুষ্কতার ছোঁয়া। এ সময় ঠোঁট ফাটা স্বাভাবিক একটি একটি সমস্যা। তবে কিছু নিয়ম মানলে মুক্তি পাওয়া যাই এই সমস্যা থেকে। চলুন জেনে নিই সেই নিয়মগুলো সম্পর্কে।


১. ঠোঁট শুকিয়ে গেলে জিব দিয়ে ঠোঁট ভেজানো যাবে না। শুকনা ঠোঁট ভেজা রাখতে সঙ্গে লিপবাম রাখতে পারেন। বাজারে এসপিএফ–১৫–যুক্ত লিপবাম কিনতে পাওয়া যায়। এটি ঠোঁটকে সূর্যের তাপ থেকেও রক্ষা করে।


২. শীতে আপনার প্রতিদিনের প্রসাধনীর তালিকায় যুক্ত করে নিন পেট্রোলিয়াম জেলিকে। কিছুক্ষণ পর পর ঠোঁটে মাখুন।


৩. শীতের শুরুতে অনেকেই ঠোঁট ফাটার পাশাপাশি ঠোঁটের চামড়া ওঠা কিংবা রুক্ষতার সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকেন। এটি মূলত তাদের ক্ষেত্রে বেশি চোখে পড়ে, যাদের ত্বক তুলনামূলক বেশি রুক্ষ। এক্ষেত্রে ঠোঁটের যত্নআত্তিতে আপনি অনায়াসে যুক্ত করতে পারেন ভ্যাসলিন। এটি যেমন লম্বা সময় পর্যন্ত আপনার ঠোঁটে স্থায়ী হয়ে থাকে, তেমনি ঠোঁটের গোলাপি আভা ফিরিয়ে আনতেও সহায়তা করে।


৪. ঠোঁটের কোমলতাকে শীতের হাত থেকে রক্ষা করতে আপনার অন্য অস্ত্র হতে পারে লিপবাম। খুব সহজে সঙ্গে রাখা যায় বিধায় ঠোঁটে শীতের হাওয়ার স্পর্শ অনুভব করার সঙ্গে সঙ্গেই আপনি লিপবাম ব্যবহার করতে পারেন।


৫. অনেকেই মনে করেন, গ্লিসারিন কেবল হাত-পায়ে কিংবা মুখে ব্যবহার করা যায়। কিন্তু প্রকৃত অর্থে ঠোঁটের যত্নে নানা প্রসাধনীর ভিড়ে গ্লিসারিন অন্যতম। যাদের ঠোঁট তুলনামূলক বেশি ফাটে কিংবা ঠোঁটের ডেড সেল বেশি চোখে পড়ে, তারা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ঠোঁটে গ্লিসারিন আর সমপরিমাণ পানি মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে তাতে কয়েক ফোঁটা মধু মিশিয়ে ঠোঁটে ব্যবহার করতে পারেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে ধুয়ে নিয়ে তাতে লিপজেল কিংবা ভ্যাসলিন ব্যবহার করে নিতে পারেন। এতে লম্বা সময় পর্যন্ত আপনার ঠোঁট থাকবে মোলায়েম আর কোমল। তাই এ সময় নিজের ঠোঁটের বিশেষ যত্ন নেয়া উচিত।