কক্সবাজারে ভ্যাট আদায়ে ৪ হোটেলের সামনে ময়লার স্তুপ!

Cox's Bazar, VAT, 4 hotels, dirt stacks,
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: পর্যটন শহর কক্সবাজারের হোটেল-মোটেল জোনের কলাতলীর চারটি হোটেলের সম্মুখে ট্রাক দিয়ে ময়লা ফেলেছে কক্সবাজার পৌরসভার পরিচ্ছন্ন কর্মীরা। পরিচ্ছন্ন কর্মীরা কর্মীরা জানিয়েছেন, ভ্যাট বকেয়া থাকায় পৌর ভারপ্রাপ্ত মেয়র মাহবুবুর রহমান চৌধুরীর নির্দেশে ময়লাগুলো ফেলা হয়েছে।

বুধবার (২ মে) দুপুর দেড়টার দিকে এসব আর্বজনা ফেলা হয়। ঘটনার সাথে সাথে ওই স্থানে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় হোটেল কর্তৃপক্ষ একটি ডাম্পার আটকে রাখে। আর্বজনা ফেলানো হোটেলগুলো হলো, হোটেল জামাল, সী ওয়েভ, কক্স ভেলী, সী পয়েন্ট রিসোর্ট।

হোটেল ‘জামাল’ এর ম্যানেজার শাহনিয়াজ জানিয়েছেন, আকস্মিকভাবে পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কাজে নিয়োজিত একটি ডাম্পার এসে হোটেলের সম্মুখেই আর্বজনাগুলো ফেলে। মুহূর্তেই ময়লার দুর্গন্ধে সয়লাব হয়ে যায় পুরো এলাকা। আবর্জনাগুলো ফেলার ফলে হোটেলের যাতায়াত পথও বন্ধ হয়ে যায়। এতে আটকা পড়ে যায় হোটেলের অতিথিরা।

একইভাবে সী ওয়েভ, কক্স ভেলী, সী পয়েন্ট রিসোর্টেও এভাবে ডাম্পার দিয়ে ময়লা ফেলা হয়। এতে হোটেল ও রিসোর্টগুলো কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়ে।

হোটেল ও রিসোর্টগুলোর কর্তৃপক্ষ বলছেন, ভ্যাট বকেয়া থাকলে নোটিশ করতে হবে। তাতে না হলে ভ্রাম্যমাণ আদালতসহ ভ্যাট আদায়ের আরও মাধ্যম রয়েছে। কিন্তু ভ্যাট আদায়ে এই রকম একটি জঘন্য কাজ করা চরম অন্যায় হয়েছে।

এ ব্যাপারে পৌর ভারপ্রাপ্ত মেয়র মাহবুবুর চৌধুরী বলেন, কয়েক দফা নোটিশ দেয়ার পরও অনেক হোটেল ও রিসোর্ট ভ্যাট দেয়নি। এতে পৌরসভার উন্নয়ন কাজ নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। ভ্যাট আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন না হওয়ায় আমরা প্রকল্প থেকে বঞ্চিত হচ্ছি।

তিনি বলেন, পৌরসভার পরিচ্ছন্নতায় প্রকল্প পাওয়ার জন্য ৮৫ ভাগ ভ্যাট আদায় দেখাতে হয়। কিন্তু কক্সবাজারে এখন পর্যন্ত ৩৪ ভাগ ভ্যাট আদায় করা সম্ভব হয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে ময়লা ফেলে অভিনব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আশা করি এতে তাদের বোধোদয় হবে।

এদিকে ঘটনার প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা পর পৌর কর্তৃপক্ষ ময়লাগুলো আবার উক্ত স্থান থেকে সরিয়ে নিয়েছে বলে পৌর কমিশনার হেলাল উদ্দীন কবির জানিয়েছেন।

ad