কাকরাইল মসজিদে তাবলিগের ২ গ্রুপের মারামারি

Kakrail Mosque, Tablig, 2 groups, fights,
ad

জাগরণ ডেস্ক: তাবলিগ জামাতের কেন্দ্রীয় মারকাজ রাজধানীর কাকরাইল মসজিদে দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজের আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভি ও আলমি শুরা গ্রুপের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

শনিবার (২৮ এপ্রিল) সকালে এই ঘটনার পর মসজিদের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। দুই পক্ষকে বের করে দিয়ে মসজিদ ফাঁকা করেছে পুলিশ।

উত্তেজনা নিরসনের জন্য কাকরাইল মারকাজের শুরা সদস্যদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেছেন ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়াসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে গতকাল সকাল থেকেই মারকাজে পুলিশ মোতায়েন ছিল। দুপুরের দিকে পুলিশের রমনা বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তাকেও সেখানে যেতে দেখা যায়। পুলিশ সেখান থেকে মোবাইল ফোনের জ্যামারের মতো যন্ত্রও উদ্ধার করেছে।

এর আগে শুক্রবার (২৭ এপ্রিল) বিভিন্ন মাদ্রাসা থেকে কয়েক হাজার শিক্ষার্থীকে কাকরাইল মসজিদে এনে তাবলিগ জামাতের প্রধান কেন্দ্র (মারকাজ) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভীর বিরোধীরা মারকাজে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন। সাদের দেয়া কোনো সিদ্ধান্ত আর এ দেশে বাস্তবায়িত হবে না বলেও তারা ঘোষণা দেন।

মাওলানা সাদ কান্ধলভী ভারতীয় নাগরিক। তিনি তাবলিগ জামাতের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা ইলিয়াস (রহ.)-এর নাতি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, মাওলানা সাদ কান্ধলভীকে নিয়ে বিভেদের সৃষ্টি হয় সর্বশেষ বিশ্ব ইজতেমা থেকে। ওই সময় তাকে টঙ্গীতে ইজতেমায় যেতে দেওয়া হয়নি। বিরোধিতার মুখে কাকরাইলে তিনি ফিরে যেতে বাধ্য হন। বিভিন্ন সময় ইসলাম ধর্ম নিয়ে তাঁর কিছু বক্তব্যের জের ধরে এই বিরোধের সূত্রপাত হলেও নেপথ্যে নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব রয়েছে বলে জানাগেছে।

ad