গাইবান্ধায় শিলাবৃষ্টির আঘাতে আহত অর্ধশতাধিক

hail, wounded, more than 50,
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ, সাদুল্যাপুর ও পলাশবাড়ীতে শিলাবৃষ্টিরা আঘাতে আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক মানুষ। সেই সাথে ঘর-বাড়ি, ধান ও আমের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ মার্চ) দুপুর ১টায় শুরু হওয়া এ ঝড় ও শিলাবৃষ্টি বেশিক্ষণ স্থায়ী না হলেও স্বল্প সময়ে শিলের আঘাতে তারা আহত হন।

 hail, wounded, more than 50,শহরের হাসপাতাল ও ফার্মেসির দোকানগুলোতে শিলের আঘাতে আহত হয়ে চিকিৎসা নিতে আসতে দেখা যায় অসংখ্য পুরুষ ও মহিলাদেরকে। পলাশবাড়ি উপজেলার ফার্মেসির দোকানগুলোতেআহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা নিতে বেশ ভীড় জমতে দেখা গেছে।

পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এর আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তনয় চন্দ্র জানান, শিলাবৃষ্টিতে আহত পাঁচজনের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তারা হলেন- পূর্ব গোপিনাথপুর গ্রামের রেনু বেগম (৩০), জালাগাড়ী গ্রামের মাসুমা (৪২), পূর্ব গোপালপুর গ্রামের শিরিনা (৪০), নিজ কাবিলপুর গ্রামের মারিয়া (২৫), পূর্ব ফরিদপুর গ্রামের আমেনা (৫০)।

 hail, wounded, more than 50,

পলাশবাড়ী উপজেলার আহত আসমা বেগমের ছেলে রাকিব জানান, তার মা আজ দুপুরের আগে গরু নিয়ে মাঠে গিয়েছিল। হঠাৎ শিলাবৃষ্টি শুরু হলে বাড়ির উদ্দেশ্যে দৌড় দেন তিনি। কিন্তু দুর্ভাগ্য, বাড়িতে পৌঁছানোর আগেই বেশ কয়েকটি শিল মাথায় পড়লে তার মাথায় জখম হয়।

এদিকে, মানুষ আহত হওয়ার পাশাপাশি ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে ঘর-বাড়ি, ধান, ভুট্টো ও আম গাছের। বৃষ্টির চেয়ে শিলাবৃষ্টি বেশি হওয়ায় আম বাগানের ও আম গাছের আমের ছোট গুটি ঝরে যাওয়ায় আম চাষীদের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের আম চাষী ও নার্সারী ব্যবসায়ী মোজাফ্ফর বলেন, আমি প্রতি বছর ধরন্ত আমসহ কলম গাছ বেশি মূল্যে বিক্রি করি। এবার সেটা আর হবে না। কারণ আজকের অগ্রিম শিলাবৃষ্টিতে আমার কলম কাটা আম গাছের সকল গুটি ঝরে গেছে।

গাইবান্ধার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষিবিদরা ধান চাষীদের পরামর্শ দিয়ে বলেছেন,শিলাবৃষ্টি বা ঝড়ের পর ইউরিয়া উপরি প্রয়োগ করা যাবে না। ১৬ লিটার পানিতে ১০০ গ্রাম এমওপি (পটাশ সার / সলু পটাশ) মিশিয়ে স্প্রে /৮ শতাংশ ধানের জমি এবং এমিস্টার টপ / ব্লাস্টিন / সানফাইটার / নাটিভো অনুমোদিত মাত্রায় স্প্রে করতে হবে। তা না হলে ব্যাকটেরিয়াল লিফ ব্লাইট হতে পারে।

ad