গুরুদাসপুরে সাংসদের হস্তক্ষেপে নিম্নমানের তিন ট্রাক চাল জব্দ

rice
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: নাটোরের গুরুদাসপুর সরকারি খাদ্যগুদাম থেকে খাবার অনুপযোগী পঁচা ও নিম্নমানের ৫০ মেট্রিক টন চাল জব্দ করা হয়েছে।

আজ রবিবার (১২ আগস্ট) দুপুরে স্থানীয় সাংসদ মো. আব্দুল কুদ্দুস ওই পঁচা চালগুলো জব্দ করেন।

জানা যায়, পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার মুলাডুলি খাদ্যগুদাম থেকে ওই চালগুলো এসেছিল। চালগুলো উপজেলার হতদরিদ্রদের মাঝে ভিজিটি ও ভিজিএফ হিসেবে ঈদে বিতরণ করার কথা ছিল।

চাল জব্দ করার পর স্থানীয় সাংসদ মো. আব্দুল কুদ্দুস বলেন, পঁচা ও নিম্নমানের চালগুলো বাজেয়াপ্ত করার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। একই সাথে ওই চাল সরবরাহকারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) গণপতি রায় বলেন, আজ দুপুরে মুলাডুলি খাদ্যগুদাম থেকে তিনটি ট্রাকে ৫০ মেট্রিক টন চাল গুরুদাসপুর পৌরসভার চাঁচকৈড় দ্বিতীয় খাদ্যগুদামে আসে। প্রথম ট্রাক আনলোড করা করা হয়। এই ট্রাকে ৫৬১ বস্তা চাল ছিল। তার মধ্যে ২৬৬ বস্তা চাল খাবার অনুপযোগী ছিল। পরে আরও দুই ট্রাক চাল একই মানের হওয়ায় সেগুলো গুদামে আনলোড করা হয়নি।

সহকারি কমিশনার বলেন, জব্দ করা চালগুলো মাছ ও পশুখাদ্য উপযোগী। পরিস্থিতি বিবেচনা ও সাংসদের নির্দেশে চালগুলো মুলাডুলি খাদ্যগুদামে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

চালগুলোর বিষয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে নাটোর জেলা প্রশাসককে জানানো হবে। পরে তিনি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবেন।

ওই চাল বহনকারী ট্রাক চালক মো. শাহিন আলম ও নাইস ইসলাম বলেন, ট্রাকে কি মানের চাল ছিল তা তাদের জানা ছিলনা। মুলাডুলি খাদ্যগুদাম থেকে যে মানের চাল ট্রাকে দেওয়া হয়েছিল তা নিয়ে এসেছেন তারা।

উপজেলা ভারপ্রাপ্ত খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা বলেন, ‘চালের মানের বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। প্রথম ট্রাকের চাল খারাপ হওয়ায় পরের দুই ট্রাক চাল আনলোড করা হয়নি। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তাঁদের নির্দেশ মতো করণীয় ঠিক করা হবে।

এব্যাপারে মুলাডুলি খাদ্যগুদামের ম্যানেজার মো. ওমর ফারুকের বক্তব্য নেওয়ার জন্য চেষ্টা করেও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ad