জঙ্গি মনজিয়ার লাশ সনাক্ত করতে সিলেট যাচ্ছে তার পরিবার

Two militants, post-mortem
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে পুলিশের হাতে নিহত জঙ্গি জুবাইরা ইয়াসমিনের বোন মনজিয়ারা পারভিন ওরফে মনজিয়ারা বেগমই সিলেটের দক্ষিণ সুরমার শিববাড়ি এলাকার জঙ্গি আস্তানায় নিহত ‘মর্জিনা বেগম’ কিনা তা নিশ্চিত হতে সিলেট যাচ্ছে তার পরিবার।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারী ইউনিয়ন থেকে মনজিয়ারা পারভিনের পরিবার আজ মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) সিলেট রওনা হয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মর্জিনাই বান্দরবানের মনজিয়ারা পারভিন কিনা এটা নিশ্চিত হতে সকালে সিলেট পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বান্দরবান জেলা পুলিশকে বার্তা পাঠানো হয়। আর এ বার্তা পেয়ে বান্দরবান জেলা পুলিশ মনজিয়ারা পারভিনের পরিবারের দুই সদস্যকে সিলেট পুলিশের কাছে পাঠানোর উদ্যোগ নেয়। সীতাকুণ্ডে এই পরিবারের আরেক সদস্য জহিরুল হক জসিমকেও জঙ্গি আস্তানা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারী তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক আবু মুসা বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসারে তাদের সিলেট পাঠানো হচ্ছে।

জানাগেছে, জঙ্গি জুবাইরা ইয়াসমিন ও মনজিয়ারা পারভিনের বাবা নুরুল ইসলাম ও বড় ভাই জিয়াবুল হক দুপুর ২টার দিকে সিলেটের উদ্দেশ্যে বান্দরবান ত্যাগ করেন। তারা সিলেট পৌঁছে দক্ষিণ সুরমার শিববাড়ি এলাকার আতিয়া মহলে নিহত জঙ্গি মর্জিনা তাদের পরিবারের সদস্য কিনা সেটি নিশ্চিত করবেন।

সিলেট জেলা প্রশাসনের এডিসি শাহেদুল ইসলাম জানান, ‘মনজিয়ারা পারভিন মর্জিনা কিনা সেই ব্যাপারে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে।’

জাতীয় পরিচয়পত্রের সূত্রে জানা যায়, মনজিয়ারা বেগমের জন্ম ১৯৯৩ সালের ৩ এপ্রিল। তার বাবার নাম নুরুল আমিন, মায়ের নাম সাবেকুর নাহার। তিনি দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করেন। বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ২৭৮ নং বাইশারী মৌজার অংশ ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

বান্দরবানের পুলিশ সুপার সঞ্চিত কুমার রায় বলেন, ‘নিহত মর্জিনা মনজিয়ারা কিনা তার লাশ ও পোশাক দেখে নিশ্চিত হতে মনজিয়ারার পরিবারের দুই সদস্যকে সিলেট পাঠানো হচ্ছে।’

ad