জিয়া অরফানেজ মামলা: খালেদার আপিল শুনানি ৮ জুলাই

Khaleda, appeal hearing, July 8,
ad

জাগরণ ডেস্ক: জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের সাজা বাড়াতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের ওপর শুনানির দিন পিছিয়ে আগামী ৮ জুলাই দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (৩ জুলাই) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আগামী ৮ জুলাই দুপুর ২টা পর্যন্ত শুনানি মুলতবি করেন।

আজ উভয় আবেদনের ওপর শুনানির দিন ধার্য থাকলেও খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আপিল শুনানির জন্য সময় আবেদন করেন। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদক সময় আবেদনের বিরোধিতা করে শুনানি শুরুর আবেদন জানান।

আদালত উভয় আবেদন নিষ্পত্তি করে ৮ জুলাই দুপুর ২টার দিকে শুনানির সময় নির্ধারণ করেন। আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে জেষ্ঠ্য আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী। এ সময় ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল উপস্থিত ছিলেন। আর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

এর আগে ৮ ফেব্রুয়ারি মামলাটিতে খালেদা জিয়ার পাঁচ বছর কারাদণ্ড হয়। একইসঙ্গে, খালেদা জিয়ার ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ অপর পাঁচ আসামীকে ১০ বছর করে দণ্ড দেয়া হয়।

রায় ঘোষণার ১১ দিন পর ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকালে রায়ের অনুলিপি হাতে পান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। এরপর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ২০ ফেব্রুয়ারি এ আবেদন দায়ের করা হয়।

১২ মার্চ খালেদা জিয়াকে চার মাসের জামিন দেন হাইকোর্ট। হাইকোর্টের দেয়া ওই জামিন স্থগিত চেয়ে পরদিন ১৩ মার্চ আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদক। পরে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত ওই দুই আবেদনের শুনানির জন্য ১৪ মার্চ দিন ধার্য করেন।

এরপর ১৪ মার্চ আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদককে জামিনের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) দায়ের করতে বলে চার মাসের জামিন ১৮ মার্চ পর্যন্ত স্থগিত করেন আদালত। এ আদেশ অনুসারে পরের দিন ১৫ মার্চ রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদক লিভ টু আপিল দায়ের করে।

ওই লিভ টু আপিলের ওপর শুনানি হয় ১৮ মার্চ। শুনানি শেষে আবেদনের ওপর আদেশের জন্য ১৯ মার্চ দিন ধার্য করেন আপিল বিভাগ। ১৯ মার্চ আদালত লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন। একইসঙ্গে, আপিল শুনানির জন্য ৮ মে দিন ধার্য করেন। আপিল শুনানি শেষে ১৬ মে রায় দেন উচ্চ আদালত।

ad