তাপসী দাসের বক্তব্য ও রেকর্ডপত্র গ্রহণ করেছে দুদক

taposhi das
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: নড়াইল সওজ-এর নির্বাহী প্রকৌশলী তাপসী দাসের বক্তব্য এবং বিভিন্ন রেকর্ডপত্র গ্রহণের মধ্যে দিয়ে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির তদন্ত কাজ শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

বুধবার (০২ নভেম্বর) দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় যশোরের উপ-পরিচালক মো. জাহিদ হোসেন এ তদন্ত কাজ পরিচালনা করেন।

জাহিদ হোসেন জানান, দূর্নীতির সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করে তাপসী দাস বলেছেন, তিনি কিছু জানেন না।

তিনি বলেন, গণশুনানিতে আনিত বিভিন্ন অভিযোগ আমলে এনে নড়াইল সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তাপসী দাসের বিরুদ্ধে অফিসিয়ালি নোটিশ দিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। সওজ-এর নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে দেখা করে তার বক্তব্য এবং বিভিন্ন রেকর্ডপত্র নেওয়া হয়েছে।

এদিকে মঙ্গলবার “ অবশেষে সেই দুর্নীতিবাজের বিরুদ্ধে দুদকের তদন্তু শুরু ” শিরোনামে দৈনিক জাগরণ পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়।

উল্লেখ্য, গত ১৬ অক্টোবর নড়াইল শিল্পকলা একাডেমী অডিটোরিয়ামে ৪৪টি সরকারি ও আধা শায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগণের উপস্থিতিতে দুদকের গনশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে ২৫টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মোট ৬২টি অভিযোগ দাখিল হয়। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৯টি অভিযোগ দাখিল করা হয় সড়ক ও জনপথ বিভাগের বিরুদ্ধে।

গণশুনানিতে নড়াইল সওজ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তাপসী দাসের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বিভিন্ন জেলায় ১০ টনের ভাইব্রোম্যাক্স রুলার ভাড়া দিয়ে সরকারি কোষাগারে অর্থ জমা না দেওয়া, সরকারি চাকরির নিয়ম-কানুন না মেনে সওজ বিভাগের নিজস্ব গেষ্ট হাউসে দীর্ঘদিন বসবাস করা, খুলনায় কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে বিলাশবহুল অট্টালিকা নির্মাণ, সরকারি গাড়ী নিজস্ব কাজে ব্যবহার করা, আর্থিক সুযোগ সুবিধা নিয়ে এবং স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে সড়কে নিম্নমানের কাজ করানো ইত্যাদি অভিযোগ আনা হয়।

শুনানিতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনার এ,এফ,এম আমিনুল ইসলাম এবং মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন জেলা প্রশাসক মো. হেলাল মাহমুদ শরীফ। বিভিন্ন অভিযোগ আমলে নিয়ে দুদক তদন্তের সিদ্ধান্ত নেয়। সে মোতাবেক বুধবার তদন্তকাজ শুরু করে দুদক।

ad