বড় ধরণের নাশকতার জন্য এ অস্ত্র মজুদ করা হয়ে থাকতে পারে: আইজিপি

Narayanganj, arms rescue, expedition, detention 3,
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: বড় ধরণের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটানোর জন্যই এ অস্ত্র মজুদ করা হয়ে থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরির্দশক শহীদুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (১ জুন) দিবাগত রাত থেকে শুক্রবার (২ জুন) দুপুর পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের গোবিন্দপুর এলাকায় পূর্বাচল ৫ নম্বর সেক্টরে অভিযান চালিয়ে দুইটি রকেট লাঞ্চার, ৬২টি এসএমজি , ৫১টি এসএমজির ম্যাগজিন , ৪১টি গ্রেনেড, পাঁচটি পিস্তল ও পাঁচ কার্টন ভর্তি গুলিসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।

তদন্তের স্বার্থে পুলিশ আটককৃত তিনজনের নাম জানাতে অনীহা প্রকাশ করেছে।

ধারণা করা হচ্ছে, বড় ধরণের নাশকতামূলক কোনো ঘটনা ঘটানোর জন্যই এ অস্ত্রসস্ত্র মজুদ করা হয়ে থাকতে পারে।

পুলিশের মহাপরির্দশক শহীদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, এসব অস্ত্র সাধাণরত ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফা ও জেএমবি সদস্যদের কাছে থাকে। এর সঙ্গে কোনো জঙ্গিগ্রুপের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে।

ঘটনাস্থলে স্থানীয় সংসদ সদস্য গাজী গোলাম দস্তগীর (বীরপ্রতীক), পুলিশের আইজিপি শহীদুল হক, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি শফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার দাউদপুরের বাগলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ চায়না এলএমজি উদ্ধার করে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত শরীফ খানের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিক্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অস্ত্র উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর আশপাশের এলাকাগুলোতে অজানা আতঙ্ক বিরাজ করছে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি মাহমুদুল ইসলাম বলেন, গত মঙ্গলবার দাউদপুর ইউনিয়নের বাগলা এলাকার শরিফ খানের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ চায়না এলএমজি উদ্ধার করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে শরিফ খান সটকে পড়ে। ঘটনার দুইদিন পর বৃহস্পতিবার বিকালে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ শরিফ খানকে নারায়ণগঞ্জের পাগলা এলাকা থেকে আটক করে।

তিনি বলেন, টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে সে অস্ত্র মজুদ থাকার ব্যাপারে তথ্য দেয়। তার জবানবন্দির ভিক্তিতে গোয়েন্দা পুলিশ ও রূপগঞ্জ থানা পুলিশ পূর্বাচল উপশহরের গোবিন্দপুর এলাকার ৫ নম্বর সেক্টর এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে

ad