নীলফামারীতে গৃহবধূকে নির্যাতন: ২৪ জন কারাগারে

Housewife tortured, 24 people, prison,
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডিমলায় এক গৃহবধূকে গাছের সাথে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগের দায়েরকৃত মামলায় জামিন নামঞ্জুর করে ২৪ জন আসামীকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে নীলফামারী চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মোছা. কামরুন নাহার এ আদেশ দেন বলে জানান ওই আদালত পুলিশের জিআরও স্বপন কুমার রায়।

কারাগারে যাওয়া ২৪ জন হলো – ডিমলা উপজেলার খালিশাচাপানী ইউনিয়নের বাইশপুকুর ক্লোঝাড়পাড়া গ্রামের দেবারু মামুদের ছেলে অপিয়ার রহমান (২৩), অপিয়ার রহমানের মা অপিয়া বেগম (৬০) ও তার স্ত্রী তুলি বেগম (২১), একই গ্রামের দবির উদ্দিন (৬০) , স্ত্রী খালেকুন বেগম (৫০), তার তিন ছেলে আলী হোসেন (৩৫), আবু বক্কর সিদ্দিক (৩০), মনোয়ার হোসেন (২৪) ও ছেলের বউ রুপালী (২৮), তহমিনা বেগম (২৬), মনছুরা বেগম (২৪) আহেদুল ইসলাম (৩৮)।

একই গ্রামের এবং খালিশাচাপানী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড আওলামী লীগের সভাপতি আব্দুল কাদেরের ছেলে শ্রমিক নেতা শিমুল হোসেন (৩৫), সাধারণ সম্পাদক হামিদুল ইসলাম (৪৫), তার স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৪০) ও ছেলে আতাউর রহমান (১৯), একই গ্রামের মাহবুবর রহমানের স্ত্রী সুলতানা বেগম (২৪), সফিয়ার রহমান (২৭), তার স্ত্রী রাজিয়া বেগম (২৫), মৃত দৈস্যা মামুদের ছেলে মহুবর রহমান (৪৫), নুরুল ইসলামের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (৫০), সফিকুল ইসলামের স্ত্রী হোসনে আরা বেগম (২৫), আকবর আলীর ছেলে কালু মিয়া (৪৫), ভলু মামুদের ছেলে মমিনুর রহমান (৩৫) ও সামসুল ইসলামের ছেলে মজনু (৩০)।

আদালত সূত্র জানান, চলতি বছরের ৪ আগস্ট বেলা আনুমানিক ১২টার দিকে খালিশাচাপানী ইউনিয়নের বাইশপুকুর গ্রামের লালন মোল্লার স্ত্রী শেফালী বেগমকে (৩৫) সালিশির নামে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ এনে শেফালীর মামা সহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে ৬ আগস্ট ডিমলা থানায় ১৯ জনের নাম উল্লেখ্য করে একটি মামলা দায়ের করেন।

পরবর্তীতে শেফালী বেগম ১৪ আগস্ট ওই ১৯ জনসহ মোট ৩১ জনের নাম উল্লেখ্য করে ডিমলা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

দুই মামলার ৩১ জন আসামীর মধ্যে ২৪জন আসামী মঙ্গলবার আদালতে হাজির হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন করলে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক ওই ২৪ জনের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আসামীপক্ষের আইনজীবী মমতাজুল হক অভিযোগ করে বলেন, আমার মক্কেলরা আইনের প্রতি সম্মান জানিয়ে ন্যায় বিচারের আশায় আদালতে আত্মসর্ম্পণ করে জামিন প্রার্থনা করে। মক্কেলগণের অপরাধ জামিন যোগ্য হওয়ার সত্ত্বেও আদালতের বিচারক জামিন না দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠিয়েছেন।

আরও পড়ুন: অন্তঃসত্তা গৃহবধূকে গাছে বেঁধে নির্মম নির্যাতন!

ad