প্রাণ-আরএফএল কোম্পানীর গাড়ি ব্যবহার করে রমরমা ইয়াবা ব্যবসা

arrest with yaba
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: বাংলাদেশের বিখ্যাত শিল্প প্রতিষ্ঠান প্রাণ-আর এফএল গ্রুপের পরিবহন ব্যবহার করে চলছে রমরমা ইয়াবা ব্যবসা।

প্রাণ-এফএল গ্রুপের পরিবহন এবং ড্রাইভারকে পুলিশ প্রশাসন কোনো প্রকার সন্দেহ করে না, পরিবহনগুলো তল্লাশীও করা হয় না। তাই এই পরিবহনকে পুঁজি করে ড্রাইভারদের সাথে চুক্তি করে মাদক ব্যবসায়িরা খুব সহজেই প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে মাদক ব্যবসা।

নরসিংদীর পলাশ থানা সুত্রে জানা যায়, গত সোমবার ভোরে প্রাণ-আরএফএল এর রেফ্রিজারেটর ভ্যান গাড়ি দিয়ে ইয়াবার চালান বহনের সময় ৩৫৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ওই গাড়ির ড্রাইভার রাসেলকে আটক করে পুলিশ। পরে থানায় এনে রাসেলকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবসার সাথে জড়িত বলে স্বীকার করে। এ ছাড়া তার সহযোগী কাউসার একই পরিবহন দিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা সরবরাহ করে আসছে বলেও পুলিশকে তথ্য দেয়। এ ঘটনায় পলাশ থানা পুলিশ রাসেল ও কাউসারকে আসামী করে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেছে। এছাড়া, আসামীদের বহনকারী প্রাণ-আরএফএল কোম্পানীর গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিবহনের ড্রাইভাররা পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে এই পরিবহনকে পুঁজি করে মাদক ব্যবসার কাজে ব্যবহার করে আসছিল। মূল মাদক ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে তথ্য জানতে আটককৃত রাসেল মিয়াকে ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া মাদক সরবরাহ কাজে ব্যবহৃত গাড়িটিকে জব্দ করে মামলা দেওয়া হয়েছে।

ad