ফের রক্তাক্ত রাঙামাটি, গুলিতে নিহত ৫

death
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: গুলিতে নিহত রাঙ্গামাটির নানিয়ারচর উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যাওয়ার পথে মাইক্রোবাসে সন্ত্রাসী হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে পাঁচজনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও সাতজন।

শুক্রবার (৪ মে) দুপুর দেড়টার দিকে নানিয়ারছড়ির বেতছড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

গুলিতে নিহতরা হলেন- ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) আহ্বায়ক তপন জ্যোতি চাকমা বর্মা, যুব সমিতির কেন্দ্রীয় সদস্য তনয় চাকমা ও মহালছড়ি যুব সমিতির সভাপতি সুজন চাকমা। এছাড়া খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে মারা গেছেন সজীব চাকমা ও সেতুলাল চাকমা।

জানা যায়, শক্তিমান চাকমার দাহক্রিয়া যোগ দিয়ে ফেরার পথে কেরেঙ্গাছড়ি এলাকায় তাদের গাড়িবহরে গুলিবর্ষণ শুরু করে দুর্বৃত্তরা। এসময় বেপরোয়া গুলি বর্ষণে ঘটনাস্থলেই নিহত হন তিন জন। আহত হন অনেকেই। পরে আহতদের খাগড়াছড়ি হাসপাতালে নেয়া হলে মারা যায় আরও দুইজন।

আহতরাও ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ- গণতান্ত্রিক) সদস্য বলে জানাগেছে। তাদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

রাঙামাটির পুলিশ সুপার আলমগীর কবীর মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আহতদের খাগড়াছড়ি হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে।

বৃহস্পতিবার সকালে নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এমএনলারমা) সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট শক্তিমান চাকমাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। একদিন পর আজ এই ঘটনা ঘটলো।

উল্লেখ্য, গত কয়েকমাস ধরেই রাঙামাটিতে পাহাড়ি সংগঠনগুলোর মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। এসব বিরোধের জের ধরে প্রায়ই ঘটছে অপহরণ, হামলা পাল্টা হামলা, খুনের মতো ঘটনা। শুধু এ বছরই পাহাড়ি তিনটি সংগঠন ইউপিডিএফ, ডেমোক্রেটিক ইউপিডিএফ ও জনসংহতি সমিতির অন্তত সাতজন নিহত হয়েছে। এসব ঘটনায় সংগঠনগুলো একে অপরকে দায়ী করছে।

ad