ভারত থেকে আমদানিকৃত চালের প্রথম চালান মংলা বন্দরে

mongla port
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: মংলা বন্দরে এসে পৌঁছেছে দুর্যোগ ও আপদকালীন সংকট মোকাবেলায় ভারত থেকে আমদানিকৃত চালের প্রথম চালান। বাংলাদেশের চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতেও এ চাল আমদানি করা হয় বলে জানাগেছে।

বন্দরের হারবার মাষ্টার কমান্ডার ওলিউল্লা দৈনিক জাগরণকে জানান, আমদানিকৃত চালের গুণগত মান পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শনিবার (১২ আগস্ট) খালাস কাজ শুরু হবে।

তিনি জানান, প্রথম দফায় প্রায় ৪ হাজার ৭শ’ মেট্রিক টন চাল নিয়ে বিদেশী জাহাজ এমভি ‘ডং আন কুইন’ বন্দরের পশুর চ্যানেলের হারবাড়িয়া এলাকায় ভিড়েছে। প্রাথমিকভাবে আমদানিকৃত চালের গুণগত মান দেখে খাদ্য বিভাগসহ সংশ্লিষ্টরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, দেশের চলমান দুর্যোগে খাদ্য সংকট মোকাবেলায় সরকারিভাবে ভিয়েতনাম থেকে ২ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন এবং ভারত থেকে প্রাথমিকভাবে ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির চুক্তি হয়। সম্প্রতি চুক্তি হওয়া ভারতীয় চালের ৪ হাজার ৭০১ মেট্রিক টন চাল নিয়ে গত বুধবার (৯ আগষ্ট) মংলা সমুদ্র বন্দরে ভিড়ে ভিয়েতনামের পতাকাবাহী জাহাজ ‘ডং আন কুইন’।

খাদ্য অধিদপ্তরের পদস্থ কর্মকর্তরা বন্দরে চ্যানেলের হারবাড়িয়ায় আমদানিকৃত চালবাহী জাহাজ পরিদর্শন ও চালের নমুনা সংগ্রহ করেন। পরে চালের গুণগত মান পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন হলে খালাসের কাজের অনুমতি দেয় খাদ্য বিভাগ।

লোকাল শিপিং এজেন্ট মেসার্স খুলনা এন্টার প্রাইজের প্রতিনিধি বি কে চক্রবর্তী পল্টু দৈনিক জাগরণকে জানান, আমদানিকৃত চালের গুণগত মান বেশ ভালো। এ চাল খালাসে আগামী ২ থেকে ৩ দিন সময় লাগতে পারে।

মংলা সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক (চওস) জহিরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর দৈনিক জাগরণকে জানান, এ চাল দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা সমূহের বিভিন্ন খাদ্য গুদামে পাঠানো হবে। ভারত থেকে সরকারিভাবে আমদানিকৃত এ চালের দেশীয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স সুব্রি এ্যাগো এ্যানার্জি। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান, লোকাল এজেন্ট ও খাদ্য বিভাগ যৌথভাবে এ চাল খালাসের কাজ ও দেখভালের দায়িত্ব পালন করছে।

ad