‘ভারত-মিয়ানমারের সাথে আমাদের সুসম্পর্ক রয়েছে’

BGB, India-Myanmar, along with crime prevention,
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম বলেছেন, প্রতিবেশী দেশ ভারত ও মিয়ানমারের সাথে আমাদের সুসম্পর্ক রয়েছে। তাদের সাথে সমন্বয় করে সমন্বিতভাবে সীমান্তে চোরাচালানসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে কাজ করে যাচ্ছি।

সোমবার (২ জুলাই) দুপুরে বেনাপোলের পুটখালী সীমান্তে ‘বর্ডার সার্ভেইল্যান্স এন্ড রেসপন্স সিস্টেম’ টাওয়ার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, আমরা বেনাপোলে সফলতার সাথে ক্রাইম জোন স্থাপন করেছি। ফলে এ অঞ্চলে অপরাধ দমন সম্ভব হয়েছে। বিএসএফের সাথে সমন্বয় করেই অপরাধ দমন সম্ভব হয়েছে।

এর আগে তিনি বেনাপোল চেকপোস্ট এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় নো-ম্যান্স ল্যান্ডে ৬৪ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার কর্ণেল রাভি ভূষন তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

মহাপরিচালকের সাথে ছিলেন- যশোরের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালিদ আল মামুন, খুলনা বিজিবির সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল তৌহিদুল ইসলাম, ৪৯ বিজিবির কমান্ডিং অফিসার লে. কর্ণেল আরিফুল হক, ২১ বিজিবির কমান্ডিং অফিসার তারিকুল হাকিম, আর আই বি’র সিও লে. কর্ণেল খবির উদ্দিন।

বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রথমবারের মতো ‘বর্ডার সার্ভেইল্যান্স এন্ড রেসপন্স সিস্টেম’ বাস্তবায়নের ফলে সীমান্ত সুরক্ষায় নতুন দিগন্তের সূচনা হবে। সীমান্তে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে সব ধরনের চোরাচালান ও অপরাধ প্রতিরোধে এই ব্যবস্থা কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

‘বর্ডার সার্ভেইল্যান্স এন্ড রেসপন্স সিস্টেম’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশ ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী ৩৯৯ কিলোমিটার এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

স্পর্শকাতর ওই এলাকাজুড়ে বিজিবির নজরদারি নিশ্চিত করতে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ‘বর্ডার সার্ভেইল্যান্স এন্ড রেসপন্স সিস্টেম’ টাওয়ার স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে থার্মাল ক্যামেরা, ভিডিও ক্যামেরা, রাডার, সেন্সরযুক্ত বিভিন্ন যন্ত্র ও সমন্বিত যোগাযোগ নেটওয়ার্ক।

ad