সিইসির সংযত হয়ে কথা বলা উচিত: কাদের

Jagoran- CEC, control, Kader,
ad

জাগরণ ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) আরও বেশি সংযত হয়ে কথা বলা উচিত।

বৃহস্পতিবার (৯ আগস্ট) কেরানীগঞ্জের ইকুরিয়া বিআরটিএ কার্যালয়ে ঝটিকা পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

গত বুধবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা বলেন, জাতীয় নির্বাচনে কোথাও কোনো অনিয়ম হবে না- এমন নিশ্চয়তা দেয়ার সুযোগ তার নেই। তবে অনিয়ম হলে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তার এমন বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের দেশের বাস্তবতায সিইসি হয়তো মনে করেছেন, এটাই সত্য। কিন্তু তিনি একটি বড় দায়িত্বে আছেন, তার সংযত হয়ে কথা বলা উচিত। তিনি প্রায়ই ভালো কথা বলেন। স্লিপ হতেই পারে। হয়তো স্লিপ হয়েছে। আমি আশা করি, তিনি ভবিষ্যতে এ ধরনের বক্তব্য প্রদান করবেন না।

তিনি বলেন, বিএনপি এখন নগর ছাড়া নৌকার যাত্রী। এই নৌকা কোথায় যাবে কেউ বলতে পারে না। সরকারের বিরুদ্ধে যতই ষড়যন্ত্র করা হোক, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তা মোকাবেলা করা হবে। বিএনপিকে নিয়ে আওয়ামী লীগের কোনো মাথাব্যথা নেই।

ঝটিকা অভিযানের প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, মাঝেমধ্যে এ ধরনের চাপ না এলে আমাদের সচেতনতা বাড়ে না। এই চাপটার বড় প্রয়োজন ছিল। যেসব বিষয়গুলো আন্দোলনের জন্য বাধ্য করেছে, আর বিশ্বাস করি এই কারণগুলো দূর করতে পারলে ভবিষ্যতে আর আন্দোলন হবে না। শিক্ষার্থীদের আন্দোলন একটা সচেতনতা সৃষ্টি করেছে। এটাও বিআরটিএর জন্য ভয়-ভীতির কারণ।

বিআরটিএ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাদের গন্তব্যের যে লক্ষ্যস্থল, সেটাই তারা খুঁজে পাচ্ছে না। তারা এখন দিশেহারা। কাজেই কখন কী যে বলে, কখন কী উদ্বেগ, কখন কী কথা তারা বলে এটা তারাও জানে না, তারাও বোঝে না। আরো পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকতে পারলে বিআরটিএর দুর্নীতি শতভাগ দূর করতে পারবো বলে আশা করি।

তিনি আরও বলেন, দালালের দৌরাত্ম্য এখনও আছে। কর্মকর্তাদের সাথে তাদের যোগসাজশ এখনও আছে। আমি বলতে পারি না এটি সম্পূর্ণভাবে শেষ করা গেছে। তবে খুব তাড়াতাড়ি, এ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

বর্তমান প্রেক্ষাপট তাকে আশাবাদী করছে জানিয়ে কাদের বলেন, এখন পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। রাস্তায় নামলে এখন গাড়ির লাইসেন্স পাওয়া যায়। মানুষের ভেতর সচেতনতা এসেছে। বিআরটিএতে লাইসেন্স করার জন্য হিড়িক পড়েছে। আমি আমি মনে করি কাজটি আমরা সম্পন্ন করতে পারবো।

সড়কে গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে আগের চেয়ে মালিক-চালক সচেতন মন্তব্য করে তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার জন্য অনেকাংশে দায়ী রাস্তায় দুই বাসের রেষারেষি এবং প্রতিযোগিতা। মালিক-শ্রমিকরা আজ রাস্তায় নেমেছে ক্যাম্পেইনের জন্য। আমি আশাবাদী একটা সচেতন পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

ad