হত্যাকারীদের নাম ঠিকানা পুলিশের হাতে

ad

জাগরণ ডেস্কঃ ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, অভিজিৎ রায় ও ফয়সল আরেফিন দীপনের হত্যাকারীদের নাম ঠিকানা পুলিশের হাতে রয়েছে। এ সময় ব্লগার, লেখক ও প্রকাশক হত্যার প্রতিটি ঘটনার তদন্তে অগ্রগতি হয়েছে বলে দাবী করেন তিনি।

বুধবার ইসলামী ব্যাংকের পক্ষ থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশকে তিনটি পিকআপ ভ্যান দেওয়া উপলক্ষে ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

হত্যাকারীদের অনেকে দেশ ছেড়ে গেছে জানিয়ে আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, আমাদের ধারনা খুনিদের কেউ কেউ ইতোমধ্যে বিদেশে চলে গেছে। আমরা তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছি।

ব্লগার হত্যায় ঢাকা মহানগরে মোট ১১টা মামলা হয়েছে। মামলাগুলোর পাঁচটির চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। ব্লগার রাজীব হায়দার হত্যা মামলার রায় হয়েছে। সেখানে আট জনকে বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং দুইজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ব্লগার, প্রকাশক হত্যায় সারা দেশে এ পর্যন্ত ২১টি মামলা হয়েছে। তার মধ্যে ১৬টা মামলার ডিটেকশন হয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা বিজ্ঞান লেখক অভিজিৎ রায়কে হত্যার পর একই কায়দায় চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয় দীপনকে।  এসব হত্যাকাণ্ডে কয়েকজন গ্রেপ্তার হলেও কোনোটিরই রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ।

অন্যান্য মামলাগুলোর চার্জশিট দেওয়া হয়েছে, কতগুলো মামলার এখনো তদন্ত চলছে। তার একটি হলো অভিজিৎ হত্যা মামলা, একটি দীপন হত্যা মামলা যেটি শাহবাগে হয়েছিল; আরেকটি শুদ্ধস্বরে হত্যাচেষ্টা মামলা যেটি মোহাম্মদপুরে হয়েছিল; আরেকটি হলো নিলয় হত্যা মামলা- এগুলো তদন্তাধীন রয়েছে।

সবগুলো হত্যাকাণ্ডের তদন্তে অগ্রগতির দাবি করে তিনি বলেন, অভিজিৎ ও দীপন হত্যায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আছে। কারা খুন করেছে সেই নাম ঠিকানাও পেয়েছি। কেউ গ্রেপ্তার হয়েছে, কিন্তু অনেককে গ্রেপ্তার করতে পারিনি। এরইমধ্যে অনেকে বাংলাদেশ ছেড়ে চলে গেছে। এই বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।

ad