হিলি স্থলবন্দরে শুল্কহার প্রত্যাহারের খবরে চাল খালাস বন্ধ!

Hili land port, import-export, disrupt
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে ভারত থেকে দেশে চাল আমদানিতে বর্তমানে আরোপিত ১০ ভাগ শুল্কহার কমছে বা প্রত্যাহার করা হতে পারে এমন সংবাদের পর থেকে আমদানিকারকরা চাল খালাস বন্ধ রেখেছেন। এতে আটকা পড়ে আছে শতাধিক চালবোঝাই ট্রাক। 

তবে সরকার যদি চাল আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার কিংবা কমিয়ে দেয়, তাহলে বন্দর দিয়ে যেমন চালের আমদানি বাড়বে, তেমনি দেশের বাজারে চালের দাম কমবে বলে ব্যবসায়ীরা জানান।

হিলি স্থলবন্দর আমদানি রফতানিকারক গ্রুপের আহ্বায়ক হারুন উর রশীদ হারুন মুঠোফোনে জানান, আরোপিত শুল্ক প্রত্যাহার করা হতে পারে সম্প্রতি এমন খবরের পর থেকেই চাল খালাস বন্ধ রেখেছেন আমদানিকারকরা। তারা মনে করছেন, এখনই যদি বন্দর থেকে চাল খালাস করে নেন আর সরকার যদি শুল্ক প্রত্যাহার করে নেয়, তাহলে তারা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এ কারণেই বন্দর থেকে চাল খালাস করছেন না কেউ কেউ।

হিলি স্থলবন্দর পরিচালনাকারী পানামা হিলি পোর্ট লিংক লিমিটেডের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক অসিত কুমার স্যান্নাল মুঠোফোনে জানান, চাল আমদানিতে আরোপিত ১০ ভাগ শুল্ক প্রত্যাহার বা কমনো হবে এমন খবর প্রকাশের পর সোমবার থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানিকৃত চাল বোঝাই ট্রাক থেকে চাল খালাসের পরিমাণ কমে গেছে। তবে চাল খালাস একেবারে বন্ধ হয়নি।

তিনি জানান, চাল খালাস কমে যাওয়ায় বর্তমানে বন্দরের ভেতরে ১২০টির মতো ট্রাক চাল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। গতকালও চাল নিয়ে ট্রাক ঢুকেছে এবং খালাসও হয়েছে।

উল্লেখ্য, চাল আমদানিতে শুল্কহার ২৮ ভাগ থাকায় হিলি স্থলবন্দর দিয়ে চালের আমদানি প্রায় বন্ধ ছিল। সে সময় মাঝে মধ্যে দুই/চার ট্রাক করে চাল আমদানি হতো। পরে গত ২০ জুন চাল আমদানিতে শুল্কহার ২৮ ভাগ থেকে কমিয়ে ১০ ভাগ নির্ধারণ করায় হিলি স্থলবন্দর দিয়ে চালের আমদানি বেড়ে যায়। বর্তমানে বন্দর দিয়ে ৮০ থেকে ৯০ ট্রাক চাল আমদানি হয়। কিন্তু আবার শুল্ক হার প্রত্যাহার করা হচ্ছে এমন খবরের পর থেকে চাল খালাস বন্ধ রেখেছে আমদানিকারকরা।

ad