মোংলা বন্দর থেকে বিলাসবহুল গাড়ি লোপাট!

Mongla port, luxury car, hopping,
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: মোংলা বন্দর দিয়ে আমদানি করা একটি বিলাসবহুল গাড়ি ভুয়া কাগজপত্র দেখিয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে বোকা বানিয়ে একটি প্রতারক চক্র নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার (৫ জুন) রাতে এ ঘটনায় বন্দর কর্তৃপক্ষের ট্রাফিক বিভাগ থেকে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বন্দর সূত্র জানায়, গত ২ জুন বিদেশী পতাকাবাহী জাহাজ এমভি বাইকিং ওয়াসান নামক জাহাজে করে জাপান থেকে বিভিন্ন মডেলের প্রায় পাঁচ শতাধিক গাড়ি মোংলা বন্দরে আসে। এ গাড়িগুলো বন্দরের শেডে রাখা হয়।

গাড়ির এ চালানের মধ্যে আধুনিক মডেলের ল্যান্ড ক্রজার প্রাডো-২০১৮ মডেলের একটি গাড়ি ভুয়া কাগজ দেখিয়ে গত ৪ জুন মোংলা বন্দরের শেড থেকে ছাড়িয়ে নিরাপত্তা বেষ্টনীর ফাঁক গলে বেরিয়ে যায় একটি প্রতারক চক্র।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে বন্দরের এক কর্মকর্তার ভাষ্য, প্রথমদিকে প্রতারক চক্রের জাল কাগজপত্রের বিষয়টি সংশ্লিষ্টরা তাৎক্ষণিক কিছুই বুঝতে পারেননি। কিন্তু কর্তৃপক্ষ যখন বুঝতে পারেন, ততক্ষণে গাড়িসহ প্রতারক চক্র হাওয়া।

পরে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ঘটনার একদিন পর মঙ্গলবার রাতে অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে মোংলা থানায় একটি প্রতারণা মামলা দায়ের করেছেন বন্দর কর্তৃপক্ষ।

মামলার সত্যতা স্বীকার করে মোংলা থানার তদন্ত কর্মকর্তা তুহিন মন্ডল দৈনিক জাগরণকে বলেন, বন্দর থেকে একটি বিলাসবহুল গাড়ি প্রতরণার মাধ্যমে কে বা করা নিয়ে গেছে (চেচিস নম্বর, পিআরজে-১৫০০০০৮৩৬৫৪)।

তিনি বলেন, গাড়িটির আমদানিকারক ঢাকার অটো মিউজিয়াম নামক প্রতিষ্ঠান এবং এর লোকাল এজেন্ট খাজা শিপিং। বন্দরের ট্রাফিক অফিসার মিজানুর রহমান বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে একটি প্রতারণা মামলা দায়ের করেছেন।

এদিকে বন্দরের এত নিরাপত্তার মাঝে এ ধরনের ঘটনাকে বন্দরের ভাবমূর্তি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন বন্দর ব্যবহারকারীরা।

মোংলা বন্দর ব্যবহারকারী এইচ এম দুলাল দৈনিক জাগরণকে বলেন, মোংলা বন্দর দেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর। এখানে এ ধরনের ঘটনা খুবই দুঃখজনক। এ ঘটনার দায় কাষ্টমস কখনো এড়াতে পারে না।

তিনি বলেন, বর্তমানে মোংলা বন্দর যেখানে এগিয়ে যাচ্ছে, সেখানে এ ধরনের ঘটনা মোংলা বন্দরের ভাবমুরি নষ্ট করবে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বন্দর কর্তৃপক্ষকে তদন্তের আহ্বান জানাচ্ছি।

ad